৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
বুধবার , মে ২২ ২০১৯
Breaking News

Turn off additional 4% cut and start pension system for MPO teachers,quickly.

Dainikshikshakhobor: The deprivation of non-government  teachers in the name of the retirement and welfare fund is being done by the fullest privilege, which is not fair and desirable. Non Government  teachers remained in the primitive age.  There is no change in luck.  The opportunity to be retired at the end …

Read More »

শতভাগ ফেল করেছে ১০৭ টি প্রতিষ্ঠান এবং শতভাগ পাস করেছে ২৫৮৩ টি প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় ১০৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল করেছে। এছাড়া শতভাগ পাস করেছে দুই হাজার ৫৮৩টি প্রতিষ্ঠানে। আজ সোমবার দুপুরে প্রকাশিত ফলাফলে এতথ্য উঠে এসেছে। এবার শতভাগ পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯টি বেড়েছে। গত বছর দুই হাজার ৫৭৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সবাই পাস করেছিল। এছাড়া শূন্য পাস …

Read More »

মাধ্যমিকে পাশের হার ৮২.২০ জিপিএ-৫ ১০৫৫৯৪

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাশের হার ৮২.২০ জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০৫৫৯৪ জন শিক্ষার্থী। আগের বছর ছিল ৭৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ। বেড়েছে ৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন এক লাখ পাঁচ হাজার ৫৯৪ জন। আগের বছর ছিল এক লাখ ১০ হাজার ৬২৯জন। শতভাগ পাশ করেছে দুই হাজার ৫৮৩টি প্রতিষ্ঠানে। …

Read More »

আমলা তান্ত্রীক জটিলতাই জাতীয়করণের অন্তরায়!

আমলা তান্ত্রিক জটিলতাই জাতীয়করণের অন্তরায়! বেসরকারী শিক্ষা ব্যাবস্থা দেশ স্বাধীনের ৪৮ বছরেও জাতীয়করণ না হওয়ার অন্যতম কারণ আমলা তান্ত্রিক জটিলতা বলেই আপাত দৃষ্টিতে মনে হয়। শিক্ষা ব্যাবস্থা জাতীয়করণ হলে তাদের কতৃত্ব অনেকটা খর্ব হবে মনে করেই তারা জাতীয়করণ বিরোধী অবস্থানে স্থির। তাই তারা বিভিন্ন সময়ে সরকারকে ভুল হিসেব দিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকার চিত্র সরকারের সামনে উপস্থাপন করেন। আর সেই হিসেব দেখেই সরকার জাতীয়করণ থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়।আসলে আমলারা এ দেশের শিক্ষা ব্যাবস্থা জাতীয়করণ কখনো চায় না, তারা যদি সঠিক ভাবে জাতীয়করণের হিসেবটা সরকারের সামনে তুলে ধরতেন তাহলে এ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা আরো অনেক আগেই জাতীয়করণ হয়ে যেতো তাতে কোনো সন্দেহ নাই। এক টাকা আয় না থাকা সত্বেও যেখানে প্রাথমিক স্তর জাতীয়করণ করা সম্ভব। সেখানে হাজার কোটি টাকা আয় থাকা সত্বেও কেনো, মাধ্যমিক স্তর জাতীয়করণ হয় না? এই প্রশ্ন শুধু আমার ব্যাক্তিগত নয়,এটা সকল বেসরকারী শিক্ষক ও গোটা জাতির প্রশ্ন?আজ গ্রামকে শহরে রুপান্তরের ঘোষনা দেওয়া হয়েছে। গ্রামকে শহরে পরিণত করতে সবার আগে প্রয়োজন বৈষম্য মুক্ত শিক্ষা ব্যাবস্থা।বৈষম্য মুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়তে সকল শিক্ষা ব্যাবস্থা জাতীয়করণ করার বিকল্প নাই। শহরে বসবাস করে মূলত উচ্চ শ্রেণির বা মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন।পক্ষান্তরে গ্রামে বসবাস করে নিম্ন শ্রেণির জনগোষ্ঠি। যাদের সরকার প্রদত্ত বেশি সুযোগ সুবিধা পাওয়ার কথা কিন্তু বাস্তব চিত্র তার উল্টো উচ্চ শ্রেণির লোকজনই সরকারী সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে, বঞ্চিত হচ্ছে নিম্ন শ্রেণির জনগোষ্ঠি। শহরে সকল স্কুল কলেজ সরকারী যেখানে লেখা পড়ার খরচ তুলনা মূলক অনেক কম। পক্ষান্তরে গ্রামের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারী নাই বললেই চলে।যেখানে লেখা পড়ার খরচ অন্তত ৪/৫ গুন বেশি। তাহলে দেখা যাচ্ছে যেখানে সরকারী সুযোগ সুবিধা পাওয়ার কথা ছিলো দরিদ্র জনগোষ্ঠির তা না হয়ে সুবিধা ভোগ করছে উচ্চ শ্রণির জনগোষ্ঠি যাদের অর্থনৈতিক কোনো সমস্যা নাই। এতো বৈষম্য থাকলে গ্রামকে শহরে রুপান্তর করা বাস্তবে কি সম্ভব? এটা শুধু স্বপ্নই থেকে যাবে গ্রাম আর বাস্তবে শহরে রুপ নিতে পারবে না। মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় গুলোর সমস্ত আয় সরকারী কোষাগারে বুঝে নিয়ে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করলে সরকারের কোনো অতিরিক্ত খরচ হওয়ার সম্ভাবনা নাই বললেই চলে। মাধ্যমিক স্তরের একটা সম্ভাব্য হিসেব আমি তুলে ধরার চেষ্টা করছি। দেশে ৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ১ কোটি ধরে,যদি প্রতি শিক্ষার্থী ২০ টাকা বেতন হয়, তাহলে মাসিক আয় দাঁড়ায় ২০ কোটি, বাৎসরিক আয় হবে ২৪০ কোটি আর প্রতি শিক্ষার্থী যদি ৩০০টাকা সেশন চার্জ দিলে আয় হবে ৩০০ কোটি টাকা, এছাড়া প্রত্যেক স্কুলের যে সম্পদ আছে তা থেকে বাৎসরিক আয় হবে কম পক্ষে ১০০০ কোটি টাকা, এছাড়াও আরো বিভিন্ন রকম আয় আছে। সর্বসাকুল্যে আয় ধরা যায় বাৎসরিক ৩০০০ কোটি টাকার বেশি বৈ কম নয়। তাহলে সকল বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এক যোগে জাতীয়করণে বাধা কোথায়? বাধা শুধু আমলা তান্ত্রীক জটিলতায়। আমলাদের এলোমেলো হিসেবের কারণেই আটকে আছে জাতীয়করণের ঘোষণা। তাই আমি শিক্ষাবান্ধব সরকারের নিকট বিনীত আবেদন জানাই, আমলাদেরকে গুরুত্ব না দিয়ে দেশের দরিদ্র শ্রেণির জনগোষ্ঠির কথা এবং অসহায় বেসরকারী শিক্ষকদের কথা বিবেচনা করে,গ্রামকে শহরে রুপান্তরের স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিতে সমগ্রহ শিক্ষা ব্যাবস্থাকে জাতীয়করণের ঘোষনা দিয়ে সকল বৈষম্যের অবসানই হোক শিক্ষাবান্ধব সরকারের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য। জয় বাংলা ********* জয় বঙ্গবন্ধু। মোহাম্মদ মোকাররম হোসেন (আপন)। সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি( নজরুল), চট্টগ্রাম বিভাগ।

Read More »

২৭৬২ প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হচ্ছে, ঘোষণা শিগগিরই

নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সুখবর দিলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়। দুই হাজার সাতশ বাষট্টিটি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য যোগ্য বিবেচিত হয়েছে। আর এগুলো বাস্তবায়ন করতে এক হাজার দুইশ সাতচল্লিশ কোটি টাকা দরকার, যা চেয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে চিঠি লিখেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, টাকা পেলেই জুনের মধ্যে …

Read More »

অধিকার প্রতিষ্ঠায় চাই ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন!

অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন চাই! বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা যে বৈষম্যের পাহাড়ের নিচে চাপা পরেছেন সেখান থেকে পরিত্রানের পথ বড়ই কঠিন। হাজার ও বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে আজ বেসরকারী শিক্ষকরা এই অবস্থানে পৌঁছেছেন। বেসরকারী শিক্ষকদের অনেক বৈষম্য আমি তুলে ধরার চেষ্টা করেছিলাম আমার বিগত দুটি লেখনিতে। আজ আর বৈষম্য নিয়ে নাই বা লিখলাম।আজ লিখতে চেষ্টা করবো বৈষম্য থেকে পরিত্রানের উপায় নিয়ে। বেসরকারী শিক্ষকরা শিক্ষা ব্যবস্থার শুরু থেকেই নানা ধরনের বঞ্চনা গঞ্ছনার স্বীকার হয়ে আসছেন তা আর বলার অবকাশ রাখে না। স্বাধীনতা পরপর্তী এ দেশের বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য জাতীয় বেতন কাঠামোর আওতায় আসতে লেগেছিলো প্রায় একযুগ সময়।১৯৭১ সালের পরে নানা আন্দোলন কর্মসূচীর প্রেক্ষিতে ১৯৮১ সালে প্রথম বারের মত বেসরকারী শিক্ষক সমাজ জাতীয় পে-স্কেলের অর্ন্তভুক্ত হয়। যা মূল বেতনের মাত্র ৫০% হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১৯৮১ সালের পরবর্তীতে সেই আন্দোলনের ধারাকে অব্যাহত রেখে দীর্ঘ ২৮ বছরের প্রচেষ্টায় ২০০৮ সালে বেসরকারী শিক্ষকরা শতভাগ মূল বেতন অর্জন করতে সক্ষম হয়।সাথে ২৫% উৎসব ভাতাও অর্জিত হয়।এবং ২০০০ পরবর্তী সময়ে শিক্ষকদের অবসর ও কল্যানের নামে গঠিত হয় অবসর ও কল্যানট্রাস্ট বোর্ড, যেখানে শিক্ষক-কর্মচারীদের নিজেদের চাঁদার বিনিময়ে তাদের অবসর ও কল্যানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যা আপাত দৃষ্টিতে শুভঙ্করের ফাঁকি ছাড়া আর কিছুই নয়। ২০০৯ পরবর্তী সময়ে শিক্ষকদের আন্দোলনের কর্মসূচী ধীরে ধীরে কমতে থাকে এবং শিক্ষক সংগঠনের সংখ্যাও বাড়তে থাকে, ফলে বিভিন্ন সময়ে আন্দোলনের নামে নানা ধরনের বিশৃঙ্খল কর্মসূচী পালনের মাধ্যমে শিক্ষক-কর্মচারীদের ৫% ইনক্রিমেন্ট ও ২০% বৈশাখী ভাতা অর্জন করলেও সেই সাথে শিক্ষক কর্মচারীদের মূল বেতন ১০০% থেকে ৯০% নেমে আসে। যা বর্তমান শিক্ষক-কর্মচারীদের মনে শুধু হতাশারই সৃষ্টি করেছে তা নয় তাদের মনে তীব্র ক্ষোভের ও সৃষ্টি করে। আজ আমাদের এই ছত্রভঙ্গ আন্দোলনই আমাদেরকে আবার ব্যাক ফুটে ঠেলে দিচ্ছে বলে আমি মনে করছি। আজ দেশ স্বাধীনের ৪ যুগ পরেও আমরা শিক্ষক সমাজ বৈষম্যের বেড়াজাল কাটতে পারলাম না কেনো?এটা আমাদের জন্য চরম অপমানের এবং অমর্যাদার বলে গোটা শিক্ষক সমাজ মনে করে। এর জন্য আমরা শিক্ষক সমাজও যে, কম দ্বায়ি তা নয়। আজ পর্যন্ত আমরা একটা ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে পারলাম না কেনো? এই প্রশ্ন আমি গোটা শিক্ষক সমাজের উপরেই রাখলাম। তাই আমি আজ গোটা শিক্ষক সমাজের সকল সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আর্কষন করে বলছি, পবিত্র রমজান মাসে আমরা নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার শপথ নিয়ে সকল শিক্ষক মিলে একটা ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে সংঘবদ্ধ হওয়ার সবোর্চ্চ চেষ্টা করি।এবং স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ের সর্ব-বৃহৎ ঐক্য বদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলে নিজেদের অধিকার জাতীয়করণ আদায় করে নেওয়ার মাধ্যমে জাতি গঠনে নিজেদেরকে সম্পৃক্ত করি। আমাদের সবার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য যদি একই হয়, তাহলে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে বাধা কোথায় নিজেদের অধিকার আদায়ে আমাদের ভূমিকাই যদি প্রশ্ন বিদ্ধ হয় তাহলে আমরা দাবি আদায় করবো কিভাবে? তাই আসুন আমরা সবাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধরে এবং জাতির জনকের ৭ ই মার্চের ভাষণকে সামনে রেখে আমরা প্রতিটি বিদ্যালয়ে এক একটি দূর্গ গড়ে তুলি। আমরা আমাদের সকল ইগো, হতাশাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একটা দূর্বার আন্দোলন গড়ে তুলি এবং নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করি। জয় বাংলা ********* জয় বঙ্গুবন্ধু। মোহাম্মদ মোকাররম হোসেন (আপন)। সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি(নজরুল), চট্টগ্রাম বিভাগ।

Read More »

বৈষম্যের পাহাড়ে চাপা এম,পি,ও ভুক্ত শিক্ষক পর্ব-২!

বৈষম্যের পাহাড়ে চাপা এম,পি,ও ভুক্ত শিক্ষক পর্ব-২! গত একটি লেখায় আমি এম,পি,ও ভুক্ত শিক্ষকদের কয়েকটি বৈষম্য তুলে ধরার প্রয়াস করেছিলাম।আজ আরো দু-একটি বৈষম্য তুলে ধরার চেষ্ট করছি। আজ প্রথমেই বাড়ী ভাড়ার বিষয়টি আমি সংক্ষেপে একটু ব্যাখ্যা করতে চাই।যদিও আমি আগের লেখায় বাড়িভাড়ার বিষয়টি লিখেছিলাম কিন্তু বিষয়টি আরো একটু স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন বলে আমি মনে করছি। সরকারী সকল চাকুরীজীবি স্থান ভেদে বাড়িভাড়া পেয়ে থাকেন তার মূল বেতনের ৪৫% থেকে ৬০% যেমন একজন সরকারী চাকুরীজীবি প্রত্যন্ত গ্রামীন অঞ্চলে হলে বাড়িভাড়া পেয়ে থাকেন ৪৫% আবার যদি পার্বত্য এলাকায় চাকরী করেন তখন বাড়িভাড়া পেয়ে থাকেন ৬০%। এভাবে জেলা শহর, বিভাগীয় শহর,রাজধানী শহর বিভিন্ন জায়গায় বাড়িভাড়া বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে।সেখানে এম,পি,ও ভুক্ত শিক্ষকরা প্রতিষ্ঠান প্রধান থেকে পিয়ন পর্যন্ত সবাই পেয়ে থাকেন ১০০০ টাকা এখানে কোনো % অনুসরন করা হয় না। এর পর আমি বলবো উৎসব ভাতার কথা। আজ থেকে এক যুগের বেশি সময় ধরে শিক্ষকরা উৎসব ভাতা পেয়ে থাকেন।কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, উৎসব ভাতা পেয়ে থাকেন তার মূল বেতনের ২৫% আর কর্মচারীরা পেয়ে থাকেন মূল বেতনের ৫০%। ফলে দেখা যায় একজন ১২৫০০ বা টাকা ১৬০০ টাকা স্কেলের একজন শিক্ষক ৮২৫০ স্কেলের একজন পিয়নের চেয়ে কম টাকা উৎসব ভাতা পেয়ে থাকেন। যা তার উপর মর্যাদার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়। ২৫% উৎসব ভাতায় একজন শিক্ষকের পক্ষে কি তার পরিবার পরিজন নিয়ে উৎসব পালন করা সম্ভব এই প্রশ্নের উত্তর আমি দেশের কর্তা ব্যক্তিদের বিবেকের কাছেই ছেড়ে দিলাম!একজন শিক্ষক ৩০০০টাকা বা ৪০০০ টাকায় কি একটি নূন্যতম পশু ক্রয় করতে পারবেন সে প্রশ্নও রইলো জাতির বিবেকের নিকট। এর পরে আসি রেশিয় বা অনুপাত প্রথা প্রসংগে, একই যোগ্যতা নিয়ে দুই জন প্রভাষক যখন একই দিনে একই প্রতিষ্ঠানে যোগদান করে ৯ম গ্রেডে অর্থাৎ ২২০০০ টাকার বেতন স্কেলে চাকুরী শুরু করেন তখন দুজনেরই তো একই স্বপ্ন থাকে চাকরীতে পদোন্নতি নিয়ে। অনুপাত প্রথার বেড়াজালে পরে এবং অযোগ্য গর্ভনিং বডির অদক্ষায় তুলনামূলক ভালো শিক্ষকটি যখন ৯ম গ্রেডেই রয়ে যায়,তখন তুলনামূলক কম দক্ষ বা একই যোগ্যতা সম্পন্ন অন্য শিক্ষকটি ৮ বা ১২ বছরের অভিজ্ঞতায় ৬ষ্ঠ গ্রেড প্রাপ্ত হয়ে যান, তখন কি তার সহকর্মী তার কার্যক্রমে আর আগের মত উদ্দীপ্ত বা উৎজীবিত ভাবে কাজ করতে পারেন?এতো বৈষম্য শিক্ষা ব্যবস্থায় থাকবেকেনো? দেশ স্বাধীনের ৪৮ বছরেও কেনো আমাদের এতো বৈষম্য থাকতে হবে? আমরা এতো বৈষম্য চাই না, আমরা স্বাধীন জাতি আমাদের সম যোগ্যতা সম্পন্ন প্রত্যেকটি চাকুরীজীবির সমান সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা রাষ্টের দায়িত্ব নয় কি? আজ আর বৈষম্য লিখবো না। শুধু জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা মাদার অব হিউম্যনেটি দেশ রত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট বিনীত অনুরোধ করবো কোনো ষড়যন্ত্রলারী আমলা-কামলা যেনো কিছুতেই আপনার বাবার স্বপ্নকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রেখে সকল শিক্ষা ব্যবস্থাকে একযোগে জাতীয়করণের ঘোষণা দিয়ে,ডিজিটাল দেশ গড়ার কাজ আরো গতিশীল করবেন। এবং দেশের সকল শিক্ষা ব্যবস্থা যুগোপযোগী করতে আপনার সুদক্ষ নেতৃত্বের আরো উন্মেষ ঘটুক এবং আপনার সু-সাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে আজকের মত এখানেই শেষ করছি। জয় বাংলা ************ জয় বঙ্গবন্ধু। মোহাম্মদ মোকাররম হোসেন (আপন)। সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিত, চট্টগ্রাম বিভাগ।

Read More »

শিক্ষা ব্যবস্থায় সরকারি নীতিমালায় ই অরাজকতা তৈরি করছে-ফিরোজ আলম

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বুদ্ধিমান লোকেরা একবারই অপমান সহ্য করে,আর মহান হলে হয়ত একাধিক।কিন্তু জ্ঞানপাপী মূর্খ আর সাধারন মূর্খরা বারবারই অপমান সহ্য করে।এটির প্রমান বহু রাজনৈতিক আর প্রশাসনিক নেতার মাঝেই রয়েছে।শিক্ষক সমাজ তার ঠিক উল্টো।তারা অতিশয় মহান বিধায় একাধিকবার অপমান সহ্য করে এখনো স্থিরবদ্ধ রয়েছে।না হলে অনৈতিক,অন্যায় ৪% অতিরিক্ত কর্তন অমানবিক জেনে …

Read More »

ঘূর্ণিঝড় ‘ফনি’ মোকাবেলায় বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদকঃ ঘূর্ণিঝড় ‘ফনি’ মোকাবেলায় বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে। ভারতের উপকূলে ঘূর্ণিঝড় ‘ফনি’ আঘাত হানার পর কিছুটা দুর্বল হয়ে আগামী ৪ মে বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে। তাই এটি মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এই সঙ্গে উপকূলের সব আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর: বাগেরহাট: উপকূলের দিকে ধেয়ে আসা প্রবল …

Read More »

বৈষম্যের পাহাড়ে চাপা এম,পি,ও ভুক্ত শিক্ষকরা:

বৈষম্যের পাহাড়ে চাপা এম,পি,ও ভুক্ত শিক্ষকরা! বেসরকারী শিক্ষকদের মুক্তি যে সহজে হবার নয় তা বলার আর অবকাশ নাই।সারা দিন, সারা বছর লিখতে থাকলেও তাদের বৈষম্য লিখা শেষ হবার নয়। তবুও লিখতে যখন শুরু করছি অন্তত কয়েকটি বৈষম্য তুলে ধরার প্রয়াস করছি, যদি কখনো,কোনো একদিন রাষ্টের কর্ণধরদের কারো দৃষ্টি গোচর হয়। প্রথমেই সর্বশেষ ঘোষিত পে-স্কেল দিয়ে শুরু করি।সর্বশেষ ঘোষিত পে-স্কেলে বেসরকারী শিক্ষদের সম্পূর্ণরুপে বঞ্চিত করার অপ্রয়াস ও নেহায়েত কম ছিলো না।দীর্ঘ আন্দোলনের আট মাস পরে বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীরা পে-স্কেলের অন্তর্ভুক্ত হয়। পে-স্কেলে ঘোষিত বার্ষিক ৫% প্রবৃদ্ধি কার্যকর হয় জুলাই/২০১৬ থেকে শুধু বঞ্চিত থেকে যায় বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীরা।দীর্ঘ দুই বছর সংগ্রাম করে ২০১৮ সালে অর্জিত হয় আকাঙ্ক্ষিত বার্ষিক প্রবৃদ্ধি।যার বিগত দুই বছরের বকেয়া বাদ দিয়ে কার্যকর করা হলো। এর পরে ঘোষিত হলো প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য বৈশাখী ভাতা/২০১৭ থেকে। সেখানেও বঞ্চিত করা হলো বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীদেরকে।এবারেও দুই বছর আন্দোলন,সংগ্রাম করে ২০১৯ সালে বৈশাখী ভাতার মুখ দেখতে পায় বেসরকারীরা তাও আবার বৈশাখের এক সপ্তাহ পরে এবং বিগত দুই বছেরর বকেয়া বাদ দিয়েই। ২০১৮ সালে ৫% বার্ষিক প্রবৃদ্ধি দেওয়ার আট মাস পরেই আবার অবসর কল্যানের নাম করে বেসরকারী দের অনুদান থেকে অতিরিক্ত ৪% কর্তনও করে নেওয়া হয়। যার ফলে দেখা যায় তাদের বেতন ভাতা আগের জায়গায় রয়ে যায়।প্রবৃদ্ধি ঘোষিত হলেও প্রকৃত পক্ষে তারা সুবিধা বঞ্চিত হলো ৪% কর্তনের মাধ্যমে। এর পরে টাইমস্কেল থেকে বঞ্চিত করা হলো হাজার হাজার বেসরকারীদের। যার ফলে বড় ধরনের বৈষম্যের স্বীকার হতে হলো নিরীহ টাইমস্কেল বঞ্চিতদের।এছাড়া পদন্নতিতে আনা হলো ব্যাপক পরিবর্তন যে কারনে অনেকে আইনের বেড়াজালে আটকা পড়লো পদন্নতি নামক সোনার হরিণ থেকে। এর পরে বলবো বাড়ি ভাড়ার কথা বেসরকারী শিক্ষক- কর্মচারী সবাই বাড়ি ভাড়া পান মাত্র এক হাজার টাকা।যেখানে প্রতিষ্ঠান প্রধান থেকে শুরু করে ঝাড়ুদার পর্যন্ত সবাই সমান।হাজার টাকায় বাড়িভাড়া এ দেশের কোথায়ও আছে বলে অন্তত আমার জানা নাই। আমিও আমার এলাকা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে একটা বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে চাকরী করছি। যেখানে বাড়ি ভাড়া বাবদ প্রতিমাসে গুনতে হয় কম পক্ষে ৮/ ১০ হাজার টাকা।এছাড়া বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীরা সবাই চিকিৎসা ভাতা পায় ৫০০ টাকা। এছাড়াও আরো অনেক বৈষম্য লিখা যাবে, তবে আজ আর লিখলাম না। বাঁকী বৈষম্য গুলো না হয় আর একদিন তুলে ধরার চেষ্টা করবো। আজ যে বৈষম্য গুলো তুলে ধরেছি এতো গুলো বৈষম্য বুকে নিয়ে একজন শিক্ষক কি করে আশানুরুপ পাঠদান করবেন সে কথা আমি এ দেশের বিশিষ্ট জনদের উপরেই ছেড়ে দিলাম।আমাদেরও তো পরিবার পরিজন আছে, তাদেরকেও তো ভরনপোষণের দায়িত্ব আমাদেরকেই নিতে হয়। এ পর্যন্ত শিক্ষকরা যা পেয়েছে তা আন্দোলনের মাধ্যমেই পেয়েছে।এ থেকেই বোঝা যায় আগামী দিনেও আন্দোলন ছাড়া কিছু আদায় করা মনে হয় অত্যন্ত কষ্টকর। তার পরেও আমি বলবো বর্তমান শিক্ষাবান্ধব সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী শেখ হাসিনা উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো বিবেচনা করে সকল বেসরকারী শিক্ষা ব্যবস্থা এক যোগে জাতীয়করণের ঘোষনা দিয়ে শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করে পুরো শিক্ষক সমাজকে কৃতজ্ঞতা পাশে আবদ্ধ করবেন। জয় বাংলা জয়বঙ্গু বন্ধু। মোহাম্মদ মোকাররম হোসেন (আপন)। সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি, চট্টগ্রাম বিভাগ।

Read More »

কে হচ্ছেন এমপি? জোবাইদা না শর্মিলা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ৬টি আসন পেয়েছে। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের জাহিদুর রহমান ২৫ এপ্রিল শপথ নেন। এরপর গত সোমবার শপথ নিয়েছেন আরো ৪ বিজয়ী সাংসদ। ফলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়া বাকি পাঁচজনই সাংসদ হিসেবে শপথ নিলেন। এদিকে বিএনপি শপথ গ্রহণের পরই শুরু হয়েছে সংরক্ষিত নারী …

Read More »

জাতীয় প্রেসক্লাবে আজ প্রতিবাদের ঝড়-dainikshikshakhobor

বিশেষ প্রতিবেদকঃ মাউশিতে ৩০/০৫/২০১৯ ইং তারিখে  ডিজি মহোদয়ের সাথে বেসরকারি শিক্ষক নেতাদের  মিটিং ফলপ্রসূ না হওয়ার কারণে শিক্ষকদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রয়া দেখা দিয়েছে। যার ফলে বেসরকারি শিক্ষকরা বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা  করিতেছে। আজ ০১/০৫/২০১৯ ইং তারিখ ” বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ” (নজরুল) এর উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবে পালন করা হলো মানব বন্ধন …

Read More »

৪% কর্তনের প্রতিবাদে প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষকদের বিক্ষোভ

স্টাফ রিপোর্টারঃ অবসর ও কল্যাণ ফান্ডের জন্য ১০ শতাংশ চাঁদা কর্তনের প্রজ্ঞাপন বাতিল দাবিতে আজ মে দিবসে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষকরা। একই সাথে তারা শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ ও সরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের ন্যায় বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা এবং বাড়ি ভাড়া প্রদানেরও দাবি করেছেন। বুধবার (১ মে) বাংলাদেশ …

Read More »

ভয়ঙ্কর হারিকেনে পরিণত হয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’

ঘণ্টায় ১৬ কিলোমিটার গতিতে উড়িষ্যা উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এ ঘূর্ণিঝড় আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া অফিস। বুধবার ভারতের তামিলনাড়ু উপকূলে আঘাত হানবে এটি। অন্ধ্র উপকূল হয়ে ওড়িষ্যা উপকূলের দিকে অগ্রসব হবে ঘূর্ণিঝড়টি। এরপর ক্রমশ শক্তি হারাবে। এর প্রভাবে বুধবার থেকে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে …

Read More »

শিক্ষক সংঘটনের ৪ দিনের কর্মসূচি ঘোষনা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বেসরকারি স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন থেকে অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টের ফান্ডে ১০ শতাংশ হারে অর্থ কেটে আদেশ দিয়েছে সরকার। এর আগে একই আদেশ দিয়ে স্থগিত করার ২ বছর পর পুনরায় গত ১৫ এপ্রিল জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর ফলে চলতি মাস থেকে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের মোট ১০ …

Read More »

আজকের কর্তন নিয়ে মিটিং ফলপ্রসূ হয়নি!!

বেসরকারি শিক্ষকদের অতিরিক্ত ৪% কর্তন স্থায়ী করাই ছিল মিটিং এর মুখ্য উদ্দেশ্য।কর্তন বন্ধ করার জন্য স্থায়ী সমাধান জানতে চান কর্তৃপক্ষ। কীভাবে অবসর ও কল্যান তহবিলের আয় বৃদ্ধি করা যায় সেটা শিক্ষক নেতাদের কাছ থেকে জানতে চাওয়া হয়।  কর্তন বন্ধ করার পূর্ব শর্ত হিসেবে প্রস্তাব করা হয়েছিল যদি অবসর ও কল্যান …

Read More »

৪% কর্তনের বিষয় অমীমাংসীত, ১ লা মে ঢাকা প্রেস ক্লাবে মানব বন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ আজ বেলা ২ঘটিকার সময় মাউশি’র ৩য় তলায় শিক্ষকদের নিয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।মহাপরিচালক, প্রফেসর গোলাম ফারুকের সভাপতিত্ব ৫টি সংগঠনের উচ্চ পর্যায় নেতৃবৃন্দ, প্রত্যেক সংগঠন থেকে ৫ জন সহ মোট ২৫ জনের অংশগ্রহনে অতিরিক্ত ৪% কর্তন বিষয়ে আলোচনা হয়।মাউশি’র পক্ষ থেকে যুক্তি ৫% ইনক্রিমেন্টের ফলে ভবিষ্যৎ বড় স্কেল হবে …

Read More »

বেসরকারি শিক্ষকদের বেতনে আসছে বড় পরিবর্তন

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা এখন থেকে চাকরির ৬ ও ১০ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড পাবেন। আগে শিক্ষকরা চাকরির ৮ ও ১৬ বছর পূর্তিতে দুটি টাইমস্কেল পেতেন। অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেল চালুর সময় টাইমস্কেল উঠিয়ে দেওয়া হয়। এতে শিক্ষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলেন। এ জন্য এখন চাকরির ১৬ বছরের মধ্যে অন্তত দুটি …

Read More »

১লা মে থেকে বেসরকারি শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন থেকে অতিরিক্ত ৪ শতাংশ চাঁদা কেটে রাখার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আগামী ১ থেকে ৫ মে পর্যন্ত রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। বাংলদেশ বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সমাবেশ শেষে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন ফোরামের সভাপতি সাইদুল হাসান …

Read More »

১০ শতাংশ চাঁদা কেটে মাদরাসা শিক্ষকদের এপ্রিলের এমপিওর চেক ব্যাংকে

এমপিওভুক্ত মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের এপ্রিল মাসের এমপিও’র (বেতন-ভাতার সরকারি অংশ) চেক ছাড় হয়েছে। রোববার (২৮ এপ্রিল) অনুদান বণ্টনকারী রাষ্ট্রায়াত্ত চারটি ব্যাংকে চেক পাঠানো হয়েছে। শিক্ষকরা আগামী ৭মে পর্যন্ত বেতন-ভাতার সরকারি অংশের টাকা তুলতে পারবেন। মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ  শামসুজ্জামান দৈনিকশিক্ষাখবরডটকমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। আদেশের স্মারক নম্বর ৫৭.২৫.০০০০.০০২.০৮.০০৪.১৯-১৪৭ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, …

Read More »