৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
বুধবার , মে ২২ ২০১৯
Breaking News
Home / জাতীয়

জাতীয়

শিক্ষক লাঞ্ছিত হওয়ার কারণ ও প্রতিকার।

শিক্ষার্থীদের নূন্যতম শাস্তির বিধান থাকা উচিৎ! বর্তমান সময়ে আমাদের দেশের বিভিন্ন জায়গায় শিক্ষার্থী কতৃক শিক্ষক লাঞ্ছিত হওয়ার প্রবনতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এটা থেকে পরিত্রানের পথ না খুজলে অদূর ভবিষ্যতে শিক্ষা ক্ষেত্রে বিরাজমান নৈরাজ্য চরম আকার ধারণ করবে,এবং জাতি এক সময় শিক্ষক সংকটে পরবে।এ পেশার প্রতি এখন বিভিন্ন কারনে মেধাবীরা অনিহা প্রকাশ করতে শুরু করেছে তার পর আবার শিক্ষক লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনা প্রকট আকার ধারন করেছে। শিক্ষক লাঞ্ছিত হওয়ার পিছনে অনেক কারন আমরা দেখতে পাচ্ছি। তবে তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য কয়েকটি কারন আমি তুলে ধরার চেষ্টা করছি।প্রথমেই আমি বলবো বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার নীতিমালা শুধু মাত্র শিক্ষার্থী কেন্দ্রীক। সব ধরনের সুযোগ সুবিধা শিক্ষার্থীকে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক রক্ষার কোনো নীতিমালা নাই।শিক্ষার্থীদেরকে নূন্যতম শাসন ব্যবস্থা পর্যন্ত আজ তুলে দোওয়া হয়েছে,শিক্ষার্থীদের দৈহিক শাস্তি তো দেওয়াই যাবে না,এমন কি কোনো কথার মাধ্যমেও তাদেরকে শাসন করারও সুযোগ নাই। যদি এই হয় অবস্থা, তাহলে ঐসব শিক্ষার্থীর আর ভাবনা কি? তারা তাদের মত চলে, পড়া লেখারও কোনো প্রয়োজন নাই। তাদের ইচ্ছের জয় হয়েছে আর বৃদ্ধি পেয়েছে শিক্ষক লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটান।শিক্ষক নিরাপত্তার কোনো নীতিমালা তৈরী হয় না শুধু শিক্ষার্থীকে সন্ত্রাসী বানানোর নীতিমালা তৈরী হয়। সে দেশে শিক্ষক লাঞ্ছিত হবে না কেনো? এছাড়া বর্তমান পাবলিক পরীক্ষাতে পাশের সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে, কাম্য সংখ্যক পরীক্ষার্থী পাশ না করলে MPO বাতিল করা হয়।যার ফলে শিক্ষার্থী থেকে বেশি ভাবনা এখন শিক্ষকদেরই ভাবতে হয়।এই কারণে শিক্ষকদের পাশ করানোর জন্য বিভিন্ন ভাবনা ভাবতে হয়।তখন আর সৎ এবং অসৎ সেই চিন্তা না করে পরীক্ষার্থীদের পাশ করানোর নানা উপায় খুঁজতে হয়।যার ফলশ্রুতি আজকের শিক্ষক লাঞ্ছনা বৃদ্ধি।শিক্ষার্থীরা ধরেই নিয়েছে পাশ করানোর সম্পূর্ণ দায়িত্ব শুধুই শিক্ষকদের, তাদের কোনো দায়বদ্ধতা বা অধ্যবসায় কোনটি এখন আর তাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশেষ করে মাধ্যমিক স্তরে ছাত্র সংসদ নির্বাচন, যা র কারণেও শিক্ষককে লাঞ্ছিত হতে হয়। আবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটি প্রথার কারণে লাঞ্ছিত হচ্ছে শিক্ষক।শিক্ষকদেরকে যারা পরিচালিত করে তাদের বেশির ভাগই মাধ্যমিকের গন্ডি পেরুতে পারেনি।তারা শিক্ষকদের লাঞ্ছিত ছাড়া কি বা করতে পারে? এছাড়া আরো বেশ কিছু কারণ আছে। তবে আমি মনে করি উপরে উল্লেখিত কারণ গুলোই শিক্ষক লাঞ্ছিত হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ।তাই আমি মাননীয় কতৃপক্ষকে দৃষ্টি আকর্ষন করে বলছি অতিদ্রুত উক্ত সমস্যা গুলোর সমাধান করে বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের নূন্যতম শাসন ব্যবস্থার নীতিমালা করে শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষক সুরক্ষায় বিশেষ ভূমিকা পালন করবেন। মোহাম্মদ মোকাররম হোসেন (আপন)। সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি, চট্টগ্রাম বিভাগ।

Read More »

মসজিদের হুজুরদের সরকারি বেতন দিতে হবে – ডাঃদীপু মনি

মসজিদের হুজুরদের যা বেতন তাতে রাতে যে মুসল্লিদের ঘরে চুরি করতে যায় না এটাই তো অস্টাশ্চার্য বিষয়…!  ৩য় শ্রেনীর বাচ্চারে প্রাইভেট পড়াবে ৫০০০ টাকা দিয়া মাসে ১৬দিন ১:৩০ ঘন্টা। আর হুজুরে মাসে ৫বেলা নামাজ পড়াইবে তারে দেবে চৌদ্দগুষ্ঠি মিলে মাত্র ৩৫০০ টাকা! মাসে ৫০০০ টাকার বিড়ি খাইয়া হুজুরের বেতন ৫০ …

Read More »

জুলাই থেকে বেতন পাবেন নতুন এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইদুল ফিতরের পর প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির চূড়ান্ত তালিকা যে কোনো দিন প্রকাশ করা হতে পারে। আর আসছে জুলাই মাস থেকে বেতন-ভাতা পাবেন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে এ তথ্য। ২০১০ খ্রিষ্টাব্দে সর্বশেষ এক হাজার ৬২৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করেছিল সরকার। এর পর থেকে সেই …

Read More »

প্রাইমারি সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার চুড়ান্ত সাজেশন্স

পরীক্ষার জন্য বিগত সালে আসা বাছাইকৃত ১২৫০টি প্রশ্নোত্তর থেকে আজ ১০০টি রিভিশন দেন…. বাংলা–সাহিত্য ০১) কপালকুণ্ডলা(১৮৬৬) যে প্রকৃতির রচনা? __রোমান্সধর্মী উপন্যাস (নায়ক নবকুমার ও কপালকুণ্ডলা) ০২) তুমি অধম তাই বলে আমি উত্তম হইবো না কেন? __বঙ্কিমচন্দ্রের কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের উক্তি। ০৩) স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’কবিতাটির রচয়িতা কে? __নির্মেলেন্দু গুণ …

Read More »

বেসরকারী শিক্ষা উপযোগী বাজেট চাই!

বেসরকারী শিক্ষা জাতীয়করণ উপযোগী বাজেট চাই! শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি স্বাধীন বাংলার স্থপতি,হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানকে। যার জন্ম না হলে আজ ও এদেশের মানুষ স্বাধীন ভাবে চলতে পারতো না।তাই আমি নিজেকে গর্বিত মনে করি, এই জন্য যে আমি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার একজন নাগরিক। এ দেশ আজ উন্নয়নশীল দেশ হতে উন্নত দেশে পরিণত হবার দ্বার প্রান্তে। এ দেশ আজ স্ব-গৌরবে মাথা উঁচু করে বিশ্বদরবারে নিজেদেরকে অধিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে।দক্ষ নেতৃত্বে এ দেশ এখন শুধু সোনার বাংলার রুপকার, জাতির জনকের সকল স্বপ্ন একে একে বাস্তবায়ন করে চলেছেন।এখন পিছনে ফেরার সময় নাই, যুগের সাথে তাল মিলিয়ে দূর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে আমাদের প্রাণপ্রিয়ো মাতৃভূমি।আর এসব সম্ভব করছেন মাদার অব হিউম্যানেটি খ্যাত, সময়ের সাহসী নেত্রী, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা।তাই তাঁর প্রতি রইলো আমার গভীর ভালোবাসা ও বিনম্র শ্রদ্ধা। আজ জাতির ভাগ্যাকাশে নতুন দিগন্ত সূচিত হতে চলেছে বহুবিধ উন্নয়ন কর্ম-কান্ডের মাধ্যমে। নিজেদের অর্থায়নে পদ্মা সেতুর মতো বৃহত্তর কাজেও কারও সাহায্যের প্রয়োজন হয় না।এ জাতি আজ মহাকাশ জয়ের নেশায় মত্ত,তাই মহাকাশে স্যাটেলাইট প্রেরণ করাও মামুলি ব্যাপার মাত্র। এতো সব অর্জনের পরেও কোথায় ও যেনো একটু ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়।হাজার মণ দুধের মধ্যে যদি এক ফোঁটা গো-মুত্র পরে তাহলে সে দুধ আর আদর্শ খাদ্য থাকে না। ঠিক সেই রকমই আমাদের এতো উন্নয়নের পরেও বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা পরিপূর্ণতা পায়নি। জাতির জনকের একটা মৌলিক স্বপ্ন আজও কেনো বাস্তবায়িত হলো না? কোনো দেশ বা জাতি উন্নতির প্রথম শর্ত সেই দেশের সু-শৃঙ্খল এবং সময়োপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।আর যেটা স্বাধীনতার ৪৮ বছরেও সম্ভব হয়নি।যে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা যত উন্নত সে দেশ তত উন্নত। এই সহজ বিষয়টা বুঝতে এখনো কেনো সমস্যা হচ্ছে? পরিপক্ক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করা অত্যন্ত যৌক্তিক ও প্রয়োজনীয়। তাই আমি বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে বিনয়ের সাথে বলবো, আগামী বাজেটে অর্থাৎ ২০১৯/২০ অর্থ বছরের বাজেটেই সকল বেসরকারী শিক্ষক- কর্মচারীদের চাকরী সরকারীকরণ উপযোগী বাজেট বরাদ্দ রেখে এ দেশকে বিশ্বের রোল মডেল দেশে পরিণত করবেন এবং সেই সাথে এ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বিরাজমান সকল বৈষম্য নিরসনে আপনার বলিষ্ঠ পদক্ষেপের মাধ্যমে শিক্ষক সমাজের সকল বঞ্ছনা দূর করতে সক্ষম হবেন। জয় বাংলা ★★★★★ জয় বঙ্গবন্ধু। মোহাম্মদ মোকাররম হোসেন (আপন)। সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি(নজরুল), চট্টগ্রাম বিভাগ।

Read More »

শুভ জন্মদিন”রনি স্যার”

আজ ১৭- ই মে-২০১৯ খ্রি: শুভ জন্মদিন জনাব নজরুল ইসলাম রনি স্যার,সভাপতি, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ও মুখপাত্র লিয়াঁজো ফোরাম। যিনি আপোষহীন নেতৃত্বের মাধ্যমে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দাবি দাওয়া নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন অবিরাম গতিতে। এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের আদর্শ, প্রাণের স্পন্দন,গতিশীল আন্দোলনের রুপকার জনাব নজরুল ইসলাম রনি স্যার। তিনি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দাবি আদায়ে সর্বদা সচেষ্ট ও নির্ভীক প্রতিবাদ কন্ঠস্বর একজন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক। যিনি সাড়ে পাঁচ লক্ষ শিক্ষক-কর্মচারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন । তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টাই গোটা শিক্ষক সমাজকে আজ জাতীয়করণের স্বপ্ন দেখার সাহস যুগিয়েছে। তাই আমরা আশা করি দাবি আদায়ে তার সুযোগ্য নেতৃত্ব এবংসময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে চিরদিন গোটা শিক্ষক সমাজের হৃদয়ের মনিকোঠায় অধিষ্ঠিত হবেন। আল্লাহ স্যারের ব্যক্তিগত জীবনে ও কর্মজীবনে,সুখ, সমৃদ্ধ ও শান্তিময় করে দিন।স্যারের কর্ম ও কীর্তি স্যারকে আরো হাজার বছর আয়ু দান করুক সেই প্রত্যাশায় রইলো।

Read More »

৪% কর্তনের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ!

অতিরিক্ত ৪% কর্তন বন্ধ করতে উচ্চ আদালতে যাচ্ছে এম পি ও ভুক্ত শিক্ষকগণ ৪% কর্তনের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের পক্ষে আ্যডভোকেট বিপ্লব কান্তি দাসের আইনি নোটিশঃ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টে বাড়তি সুবিধা না দিয়ে মাসিক বেতন থেকে অতিরিক্ত ৪% কর্তনে দেশব্যাপী তীব্র প্রতিবাদ সত্ত্বেও কর্তন বাস্তবায়ন করায় উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হতে যাচ্ছেন বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীরা। হাইকোর্টে রীটের প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে গত কাল১৫/০৫/২০১৯ তারিখ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট দেব দুলাল বড়ালের মাধ্যমে সময়ের সাহসী নেতা বিপ্লব কান্তি দাস সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। প্রেরিত আইনিলল নোটিশে ১। সিনিয়র সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২। মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ৩। সদস্য সচিব, অবসর সুবিধা বোর্ড ৪। সদস্য সচিব, কল্যাণ ট্রাস্ট ৫। উপসচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এর নিকট জানতে চাওয়া হয়েছে যে,অবসর কল্যাণ ট্রাস্টে ৬% চাঁদায় নীতিমালা অনুযায়ী যে সুবিধা, অতিরিক্ত ৪% কর্তনে একই সুবিধা কেন বেআইনি ঘোষণা হবে না। আগামী দশ দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। অন্যথায় আইনের আশ্রয়ে যাবেন ক্ষতিগ্রস্ত সংক্ষুব্ধ বেসরকারি শিক্ষকগণ।

Read More »

মুক্তি যুদ্ধের চেতনায় জাগতে হবে বেশিকদের!

মুক্তি যুদ্ধের চেতনায় জাগতে হবে বেশিকদের! হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতীর জনক বঙ্গ বন্ধু শেখ মুজিবের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে জেগে ওঠার সময় এসেছে বেসরকারী শিক্ষক কর্মচারীদের।বঙ্গবন্ধুর দীক্ষা ছিলো অধিকার আদায়ের দীক্ষা। নিজের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার দীক্ষা। আমরা বীর বাঙালী,আমাদের আর একবার জাগতে হবে এ দেশের সকল শিক্ষা ব্যবস্থার সকল বৈষম্য রুখে দিতে এদেশের ধ্বনি দরিদ্রের বৈষম্য দূর করার সময় এসেছে। আর ধৈর্য্য ধরার সময় নাই। এবার ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙেছে।আর কত অবহেলিত থাকবে এ দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠি? স্বাধীনতার ৪৮ বছর পেরিয়ে আজও কেনো আমরা পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ থাকবো।তা হতে পারেনা, হতে দেওয়া যায় না। শিক্ষা কি শুধু ধ্বনিক শ্রেণির জন্য? নাকি এ দেশের আপামর জন সাধারনের জন্য?যদি সকল নাগরিকের সমান অধিকার হয়, তাহলে সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শুধু মাত্র ধ্বনিক শ্রেণির সন্তানদের সুযোগ দেওয়া হলো কেনো?এ দেশের সকল সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শহর কেন্দ্রিক যেখানে বসবাস করেন সমাজের উচু শ্রেণির লোকজন। পক্ষান্তরে গ্রামে বাস করে নিম্ন শ্রেণির তথা নিম্ন আয়ের লোকজন। যেখানে আজও গড়ে ওঠেনি কোনো সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় বা কলেজ।তাহলে কি আমরা এটাই বুঝবো উচ্চ শিক্ষা শুধু উচ্চ শ্রেণির সন্তানদের জন্য? আর নিম্ন আয়ের সন্তানদের জন্য শুধুই প্রাথমিক শিক্ষা? স্বাধীন বাংলায় কি করে তা হতে দেওয়া যায়? জাতি হিসেবে তো আমাদের ও একটা দায়বদ্ধতা আছে। ধ্বনি দরিদ্র সবার জন্য সমান ভাবে শিক্ষা ব্যবস্থার সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়ার। সেই দায়বদ্ধতা থেকে আসুন আমরা সবাই আর একবার ৭১ এর চেতনায় জেগে উঠি।এ দেশের সকল বৈষম্য দূর করতে নিজেদেরকে তৈরী করি।এ বৈষম্য শুধু শিক্ষকদের নয়। এ বৈষম্য সমগ্রহ জাতির, এ বৈষম্য ধ্বনি -দরিদ্রের, এ বৈষম্য শ্রমিক -মালিকের, এ বৈষম্য পেশা জীবি- আমলাদের।এই বৈষম্য দূর করতে সবার আগে প্রয়োজন সকল শিক্ষা ব্যবস্থা সরকারী করা। তাই আসুন আমরা বঙ্গবন্ধুর সেই ৭ ই মার্চের ভাষনের শ্লোগানকে সমানে রেখে বলি! আমাদের এবারের সংগ্রাম, বেশিক মু্ক্তির সংগ্রাম।আমাদের এবারের সংগ্রাম সকল বৈষম্য রুখে দোওয়ার সংগ্রাম।আমাদের এবারের সংগ্রাম অধিকারের সংগ্রাম।এবারের সংগ্রাম কর্তন রুখে দেওয়ার সংগ্রাম।এবারের সংগ্রাম অবসর কল্যান বোর্ডের বিলুপ্তির সংগ্রাম। এবাররের সংগ্রাম শিক্ষা জাতীয়করণের সংগ্রাম। তাই আসুন প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানে এক একটি দূর্গ গড়ে তুলি,সংগ্রামে যখন নেমেছি তখন সংগ্রাম চালিয়ে যাবো, তবুও জাতীয়করণ আদায় করেই ছাড়বো ইনশাল্লাহ। জয় বাংলা ★★★★★ জয় বঙ্গবন্ধু। লেখক............ মোহাম্মদ মোকাররম হোসেন (আপন)। সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি(নজরুল), চট্টগ্রাম বিভাগ।ও

Read More »

পীযুষ বন্দোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করার দাবি

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ দাড়ি রাখা, টাখনুর ওপর কাপড় পড়া ‘জঙ্গি লক্ষণ’ বলে সম্প্রীতি বাংলাদেশ নামক সংগঠনের আহ্বায়ক পীযুষ বন্দোপাধ্যায়ের প্রচার করা বিজ্ঞাপনে ক্ষোভ প্রকাশ করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। গতকাল এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ইসলামের আবশ্যক পালনীয় দাড়ি রাখা, টাখনুর ওপর কাপড় পড়াসহ বেশ কিছু লক্ষণকে …

Read More »

এম,পি,ও ভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে বিরাজমান হতাশা চরমে!

এম,পি ও ভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে বিরাজমান হতাশা চরমে! শুরুতেই শ্রদ্ধার সাথে স্মরন করছি,স্বাধীন বাংলার স্থপতি, নির্ভীক বীর সন্তান, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে।আজও ভাবতে অবাক লাগে! স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৮ বছরেও এ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার করুন পরিনতি! যে স্বপ্ন বুকে নিয়ে এক রক্ত ক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা। আজ কি সেই স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছি আমরা? এই প্রশ্নের উত্তর খুব সহজেই অনুমেয় তাই এর উত্তর আমি নাইবা দিলাম।আজ শিক্ষকরা বড়ই হতাশা গ্রস্ত!হাজারও বৈষম্য চারদিক থেকে আমাদের যেনো আষ্টেপিষ্টে রেখেছে।আমাদের চারদিকে যেনো আজ অথৈ সাগর বের হবার যেন সব রাস্তাই বন্ধ যেনো হয়ে গিয়েছে! এই হতাশার হাজার ব্যাখ্যা আছে। এতো সব ব্যাখ্যা তো আর একদিনে দেওয়া সম্ভব নয়! তাই অন্তত পক্ষে বর্তমানের প্রেক্ষাপটে কয়েকটি তুলে ধরবার চেষ্টা করছি।প্রথমে বলতে হয় সরকারী চাকুরীজীবিদের কিছু সুযোগ সুবিধার কথা।বর্তমান সরকার, সরকারী চাকুরীজীবিদের বিভিন্ন রকম সুযোগ সুবিধা নির্দিধায় দিয়ে চলেছেন।যেমন বৈশাখী ভাতা, বার্ষিক প্রবৃদ্ধি,বিজয় দিবসভাতা,কম সুদে গৃহঋনের সুবিধা,পার্বত্য ভাতা,ঝুকি ভাতা ইত্যাদি ইত্যাদি আরো কত সুবিধা। অপরদিকে দেশের সমগ্রহ শিক্ষা ব্যবস্থার ৯৭% যাদের দায়িত্বে পরিচালিত হচ্ছে তাদেরক বঞ্চিত করা হচ্ছে প্রাপ্য সুবিধা থেকে।মানুষের মৌলিক অধিকার গুলোর মধ্যে অন্যতম মৌলিক অধিকার হচ্ছে শিক্ষা। আর সেই শিক্ষা স্বাধীনতার ৪৮ বছেরও কেনো বৈষম্য মুক্ত হলো না?? শিক্ষা জাতীয়করণে সমস্যা কোথায়? শিক্ষকদের সুযোগ সুবিধা দিলে দেশের ক্ষতি নাকি লাভ? হাজার প্রশ্নবানে জর্জরিত আজকের এই শিক্ষক সমাজ। শিক্ষকদের কল্যানে ১৮ বছর আগে চালু হয়েছিলো অবসর ও কল্যানট্রাস্ট বোর্ড!কিন্তু দু:খের বিষয় এই অবসর ও কল্যান বোর্ডের কোনো জবাব দিহীতা নাই। যাদের নিজেদের টাকা কেটে এই কল্যাণের ব্যবস্থা করা হলো। তারা হাজার সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকলেও এই কল্যান বোর্ডের কর্মকতা কর্মচারীরা পান সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমান বা বেশী সুযোগ সুবিধা। যা কিনা আবার শিক্ষকদের কর্তনের টাকায়!ভাবতে অবাক লাগে যাদের টাকায় সকল রকম সুযোগ সুবিধা ভোগ করেন তাদের কেনো সুবিধা বঞ্চিত থাকতে হয়! শিক্ষকদের যদি কল্যানই করার থাকে তাহলে তাদের টাকায় কেনো? আবার অবসরের পরে বছরের পর বছর জুতার তলা ক্ষয় করতে করতে এক সময় নিজেই ক্ষয়ে যায় ঢলে পরে মৃত্যুর কোলে তবুও অবসর কল্যানের টাকা জোটে না হতভাগা শিক্ষকের ভাগ্যে।পূর্বে যে ৬% টাকা কর্তন করা হতো সেই টাকাটা যদি আমরা নিজেদের ব্যাংক একাউন্টে রাখি তাতেও অবসর কল্যানের টাকার থেকে অনেক বেশি পাওয়া যায় সেই হিসাব শিক্ষকরা বহুবার দেখিয়েছে।তা ছাড়াও ব্যাংকের টাকা তুলতে কোনো সময়,কাগজপত্র বা দৌড় ঝাপের প্রয়োজন পড়তো না।তাহলে আমাদের এই অবসর কল্যান কি আসলেই শিক্ষকদের কল্যানে নাকি অন্য কোনো আজানা কারও কল্যানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো এই প্রশ্ন এখন শিক্ষক সমাজ তো বটেই গোটা জাতির মনে! এতো প্রশ্ন যেখানে অনেক আগে থেকেই ঘুরপাক খাচ্ছিলো, সেখানে আবার নতুন করে ৪% কর্তন শুরু হয়ে গেলো।এর পরেও শিক্ষরা কিভাবে ধৈর্য্য ধারন করবে? এই প্রশ্ন রাখছি আজ জাতির বিবেকের নিকট! প্রত্যেক মানুষই কর্মজীবনের পরে অবসর যায় বিশ্রামের জন্য না হয় অপারগতার জন্য। সেই অবসর প্রাপ্ত অথর্বদের দায়িত্ব দেওয়া হয় শিক্ষকদের কল্যান করার জন্য। এই অথর্ব ব্যক্তিরা টাকা মেরে খাওয়া ছাড়া আর কি এমন মহান কল্যান করতে পারবেন? নিত্য নতুন টাকা মারার কৌশন বের করতেই তো তাদের সময় শেষ। যার ফলশ্রুতি আমাদের আজকের এই অতিরিক্ত ৪% কর্তন। এছাড়া আরো অনেক কষ্ট আজ এম,পি,ও ভুক্ত শিক্ষকদের বুকে বাসা বেধেঁছে।যেমন এক হাজার টাকা বাড়ি ভাড়া। যা বাংলাদেশের কোথাও সম্ভব নয়।৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা,২৫ % উৎসব ভাতা দুই বছরের বকেয়া না দিয়েই বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ও বৈশাখী ভাতা প্রদান।নাই কোনো টিফিন ভাতা, ঝুকি ভাতা, পাহাড়ি ভাতা। যা আছে তা শুধু পাহাড়সম বৈষম্য। এই বৈষম্য বাইতে বাইতে আজ শিক্ষকরা বড়ই ক্লান্ত,বড়ই হতাশা গ্রস্ত।এই বৈষম্য আমরা আর নিতে পারছি না। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,মানবতার মা,জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট কৃতজ্ঞতা চিত্তে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। সকল নিপীড়ন,নির্যাতন, হতাশা ও বৈষম্য থেকে এম,পি,ও ভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মুক্ত করতে অনতিবিলম্বে দেশের সকল বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকুরী জাতীয়করণের ঘোষণা দিয়ে ক্ষত হৃদয়কে কর্মচঞ্চলতা তথা শিক্ষা মুখী করে তুলুন।সবশেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। জয় বাংলা ★★★★★ জয় বঙ্গবন্ধু। লেখক....... মোহাম্মদ মোকাররম হোসেন (আপন)। সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি, চট্টগ্রাম বিভাগ।

Read More »

প্রতিষ্ঠান প্রধানদের গাফিলতিশূন্য পদের ভুল তথ্যের ঝামেলা পোহাচ্ছে এনটিআরসিএ

নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে শূন্যপদের ভুল তথ্য দেয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে শত শত প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে। আর এ ভুল তথ্য নিয়ে ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষকে (এনটিআরসিএ)। এর আগে ভুল তথ্যের ভিত্তিতে এনটিআরসিএর সুপারিশ পাওয়া শিক্ষকরা মাসের পর মাস ভোগান্তিতে ছিলেন। এবারও কতিপয় হাইস্কুল-কলেজ ও মাদরাসার প্রধানরা …

Read More »

কল্যাণ ট্রাস্টের টাকার হিসেব চেয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ঃ

কল্যাণ ট্রাস্টের টাকার হিসেব চেয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ঃ বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের জন্মের পর থেকে এ পর্যন্ত কত টাকা কতজনকে দেয়া হয়েছে এবং কত টাকা কোন হিসেবে জমা রয়েছে ইত্যাদি বিষয় একদিনের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ হিসেব চাওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। কল্যাণট্রাস্ট থেকে হিসেবে দেয়ার পর তা প্রধানমন্ত্রীর অফিসে পাঠানো হবে বলে দৈনিক শিক্ষাকে নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। একইসাথে যৌক্তিকতাসহ ট্রাস্টের অর্থের চাহিদাও জানতে চাওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের দেয়া নির্ধারিত ছকের এসব তথ্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে পাঠাতে বলা হয়েছে কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য সচিবকে। জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে গত ২৪ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ট্রাস্টের তথ্য চাওয়া হয়েছে। সে প্রেক্ষিতে এ তথ্য চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কল্যাণট্রাস্টের কোটি কোটি টাকা লুটপাট নিয়ে দৈনিক শিক্ষায় প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে গত মাসে।

Read More »

শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ ছাড়া উন্নত জাতি গঠন অসম্ভব!

শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ ছাড়া উন্নত জাতি গঠন অসম্ভব! কালের যাত্রার ধ্বনি অনুরণিত হয়ে ওঠে শিক্ষকের কন্ঠে।জীবনের প্রথম প্রভাতে "জল পড়ে পাতা নড়ে"থেকে তারুণ্য দীপ্ত মুহূর্ত "বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি" স্বদেশ চেতনায় উদ্দীপ্ত এ মানসিকতা অর্জনের পেছনে অকৃপণ অবদান রেখেছেন বাংলার শিক্ষকরাই।শিক্ষক একটি পুষ্পিত মহীরুপ যাদের ছায়ায় বিকশিত হয় লক্ষ প্রাণ যাদের সৌরভে বিমোহীত হয় চারিদিক,যাদের নির্ভীক আশ্রয়ে নিশ্চিত হয় অনেকের জীবন গঠন। শিক্ষত জাতি গঠনে একজন শিক্ষিত মা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।শিক্ষিত মা মানেই শিক্ষিত সন্তান।শিক্ষিত সন্তান মানে উন্নত নাগরিক,উন্নত জাতি।তাই একটি জাতির শিক্ষা জ্ঞান-বিজ্ঞানে বড় হয়ে ওঠার প্রথম শর্ত শিক্ষিত মায়ের আঁচল থেকে শিক্ষা গ্রহণ করা।আর সেই শিক্ষিত মা গঠনের মূখ্য ভূমিকায় থাকেন শিক্ষক। শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড।উন্নত দেশ বা জাতি গড়তে শিক্ষার কোনো বিকল্প নাই।তাই বলা যায় শিক্ষকই শিক্ষার মেরুদন্ড। ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী'র আগেই বর্তমান সরকার সারাদেশের সর্বস্তরে ডিজিটালের সুযোগ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।শুধু বঞ্চিত রয়ে যাচ্ছে এ দেশের কারিগররা সমগ্রহ শিক্ষা ব্যবস্থায় যাদের অবদান ৯৭%। শিক্ষা অমূল্য সম্পদ। একটি জাতির বিকাশ ও উন্নয়নের জন্য শিক্ষার ভূমিকা অপরিহার্য।শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড ও উন্নতির পূর্বশর্ত।মানব দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মধ্যে মেরুদন্ডের অপরিহার্যতা অপরিসীম।মেরুদন্ড ছাড়া মানুষ যেমন চলাচল করতে পারে না, তেমনি শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি উন্নতির চরম শিখরে আরোহণ করতে পারে না।মেরুদন্ডহীন প্রাণী যেমন পরমুখাপেক্ষী হয়ে জীবন কাটায় তেমনি শিক্ষাহীন একটি জাতিও পরমুখাপেক্ষী হয়ে পরে। শিক্ষা মানুষকে সত্যিকার মানুষ রুপে গড়ে তুলতে সাহায্য করে তাই বিশ্ব নবী(স) বলেছেন-শিক্ষালাভের জন্য সুদুর চীন দেশে যেতে হলেও যাও। তিনি আরো বলেছেন শহীদের রক্তের চেয়ে বিদ্ব্যানের কলমের কালির মূল্য ও মর্যাদা অনেক বেশী।আর আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় সেই শিক্ষার কারিগরদের মর্যাদা কতটুুকু তা আর বলার অবকাশ রাখে না।আজ বিশ্বে যে জাতি যত বেশি শিক্ষিত সেই জাতি তত বেশি উন্নত। আজ আমেরিকানরা সারা বিশ্বের নোতৃত্ব দিচ্ছে শুধু মাত্র শিক্ষার দ্বারা। তাই শিক্ষাকে সহজলভ্য করে প্রতিটি নাগরিকের দ্বার প্রন্তে পৌঁছে দেওয়ার উপায় আমাদের উদ্ভাবন করা অত্যন্ত জরুরী। তাহলেই দেশের জনগন হবে শিক্ষিত আর দেশ ও জাতি হবে উন্নত। তাই এ থেকে সহজেই অনুমেয় যে আমাদের দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা যে ভাবে চলছে তাতে কি উন্নত দেশ বা জাতি গঠন সম্ভব? শিক্ষা-ক্ষেত্রে বিরাজমান সকল বৈষম্য দূরীকরণে যে সকল পদক্ষেপ গৃহীত হচ্ছে তাতে কি তার প্রতিকার সম্ভব?? বড় বড় দালাল কোঠা তৈরী করলেই কি শিক্ষা-ক্ষেত্রে বিরাজমান বৈষম্য দূর হবে? যারা নিরলস পরিশ্রম করে বিরতিহীন শিক্ষাদান করে যাচ্ছেন তাদের জীবন মান উন্নয়ন ছাড়া যত পরিকল্পনাই গ্রহণ করুক না কেনো? তাতে বৈষম্য বাড়বে বৈ কমবে না। শিক্ষকদের জীবন মান উন্নয়ন ও দরিদ্র জনগোষ্ঠির কথা বিবেচনা করলে সকল শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীকরণই সকল বৈষম্য রুখে দেওয়ার একমাত্র পথ। তাই আমি বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট বিনীত অনুরোধ করবো, আপনার সকল পরিকল্পনা সফল করতে সবাগ্রে সকল শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের ঘোষনা দিন।তাহলে আপনার সকল পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে।তাহলে জাতি হবে শিক্ষিত এবং দেশ হবে উন্নত এবং সমৃদ্ধশীল। জয় বাংলা *****-****জয় বঙ্গবন্ধু। মোহাম্মদ মোকাররম হোসেন (আপন)। সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি,(নজরুল)। চট্টগ্রাম বিভাগ।

Read More »

অবসর কল্যান বোর্ড যেনো এক মৃত্যু পূরীর নাম!!

অবসর কল্যান বোর্ড যেনো এক মৃত্যুপূরীর নাম! বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যানট্রাস্ট বোর্ডের কার্যপরিধি নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোকপাত করতে চাই। দীর্ঘ ৩৫-৪০ বছর শিক্ষকতা শেষ করে একজন শিক্ষক যখন অবসরে যান,তখন এমনিতেই কর্মহীন জীবন যেনো বিষাদময় হয়ে ওঠে।এর পর শুরু হয় নতুন এক জীবন যুদ্ধ যে যুদ্ধে জয় লাভ করা প্রায় অসম্ভব।নতুন চিন্তা ভাবনা শুরু হয় অবসর কল্যানের টাকা উত্তোলন নিয়ে।আর যদিও বা পাওয়া যায়, তাহলে সেই টাকায় কি পরিবারের অভাব, অনটন,দরিদ্রতা দূর হবে? নাকি তাতে পরিবারের মধ্যে নতুন কোনো বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হবে? ভাবনার নতুন দোলাচলে যেনো এক অথৈ সাগর যার শুধু মাত্র শুরু আছে কিন্তু শেষ নাই।যত দিন গড়াতে থাকে ততই যেনো হৃদয় আকাশে কালো মেঘের ঘনঘটা বাড়তে থাকে! অবসরের পরে একজন শিক্ষক অর্থ উত্তোলনের চিন্তায় দিশেহারা হয়ে যান। কারণ এই অর্থ উত্তোলন শুধু কঠিনই নয় প্রায় অসম্ভবও বটে।একজন শিক্ষক যদি ৪/৫ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করে থাকেন তাহলে সকল প্রতিষ্ঠানের প্রতি বছররের ৩/৪ টি এম,পি,ও কপি,,বেতন ভাতা উত্তোলনের কপি, সরকারী বেতন বিতরন রেজিস্টার্ড রেভিনিউ ষ্ট্যাম্প সম্বলিত আরো কত কি কাগজ পত্র তার ই-আত্মাও নাই। ফলে বছরের পর বছর শুধু কাগজ পত্র ঠিক করতেই লেগে যায়, আবার কারও কাগজ পত্র আর সারা জীবনেও সংশোধন হয় না। এভাবে দৌড়াতে দৌড়াতে এক সময় তার শরীরের সমস্ত বল বুদ্ধি শেষ হয়ে যাবার যোগার হয়। তবু অবসর কল্যান নামক সোনার হরিণের দেখা পাওয়া যায় না। ক্ষোভ আর হতাশাই তখন তার নিত্য সংগী হয়ে যায়।জীবন সায়াহৃে যখন একজন মানুষের এতো দু:খ বেদনায় জর্জিরিত হতে হয় তখন তার কর্মের প্রতি শুধুই অবহেলা আর গ্লানি জন্ম নেয়।তখন মনে হয় জীবনে কত পেশা বাদ দিয়ে কেনো শিক্ষকতা পেশায় এসেছিলাম, কেনো স্বপ্ন দেখেছিলাম শিক্ষিত জাতিগড়ার,হাজার হাজার শিক্ষার্থীকে কেনো শিক্ষা দিয়েছিলাম, যারা আজ প্রশাসনিক বড় বড় আসনে বসে শিক্ষদের নিয়ে তামাসা দেখছেন! আজ যদি এই অবসর কল্যান বোর্ডের জন্ম না হতো, এতো দৌড়াদৌড়ি কি করতে হতো, এতো কাগজ পত্রের কি কোনো প্রয়োজন ছিলো? আমি যদি আমার কর্তনের টাকা ব্যাংকে জমা রাখতাম আজ যাবার বেলায় শুধু মাত্র একটা চেকের পাতা দিয়ে টাকা গুলো তুলে নিয়ে নিজের ইচ্ছে মত পরিবার পরিজনের কাজে লাগাতে পারতাম! তা তো আজ আর হচ্ছে না। এ রকম হাজার ভাবনা নিয়ে ভাবতে ভাবতে অবসর কল্যানের টাকা পাবার আশা বুকে নিয়ে চিরদিনের জন্য বিদায় নিয়ে চলে যাচ্ছেন এদেশের হাজারও অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক। যারা দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে নিজেদেরকে বিসর্জন দিয়েছিলেন দেশ মাতৃকার কথা বিবেচনা করে। তাদের এই দু;খ দাড়দশা কি কোনো দিন শেষ হবে না? আর কত মৃত্যু হলে এ দেশের শিক্ষক সমাজের ভাবনার মৃত্যু হবে আজ জানতে বড্ড ইচ্ছে করে!!!! পরিশেষে বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নিকট বিনীত আবেদন উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলোর প্রেক্ষিতে বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রানের দাবি আমাদের চাকুরী জাতীয়করণের ঘোষনা দিয়ে অনতিবিলম্বে সকল সমস্যার সমাধান করবেন বলে মনে প্রাণে বিশ্বাস রেখে শেষ করছি। জয় বাংলা ***;***---*****জয় বঙ্গবন্ধু। মোহাম্মদ মোকাররম হোসেন (আপন)। সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ( নজরুল), চট্টগ্রাম বিভাগ।

Read More »

শতভাগ পাশের তালিকায় কে,জি,আহমেদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়!

কে,জি আহমেদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পাশের হার শতভাগ! এবার এস,এস,সি পরীক্ষা-২০০১৯ খ্রি: গড় পাশের হার ৮২.২০। কুমিল্লা বোর্ডে পাশের হার ৮৭.৩০। দেশের সার্বিক ফলাফল গত ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। আমিন। তুলনায় ৪.৪৩ ভাগ বেশি। জি,পি,এ ৫. ০০ প্রাপ্তির হার মোটের উপর গত বছরের তুলনায় প্রায় ১৫ হাজার কম।তবে সার্বিক দিক থেকে বিবেচনা করলে এবার এস,এস,সি ও সমমানের ফলাফল গত বছরের তুলনায় অনেক ভালো। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল এবার তুলনা মূলক খারাপ হয়েছে। কারিগরিতে পাশের হার ৭২.৫৬ %। এবার দেশে সর্বোমোট জি,পি,এ ৫.০০ পেয়েছে ৯২ হাজার ৫৫৬ জন শিক্ষার্থী। কুমিল্লা বোর্ডের চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া কেন্দ্রে এবার শতভাগ পাশ করে চিওড়া ইউনিয়নের সেরা প্রতিষ্ঠানের খেতাব অর্জন করেছে কে,জি,আহমেদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।চিওড়া চৌদ্দগ্রাম কুমিল্লা।বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি অন্যান্য সদস্যদের সার্বিক সহযোগিতা, শিক্ষক মন্ডলীদের কঠোর পরিশ্রম ও নিয়মিত পাঠদান, অভিভাবকের আন্তরিকতা ও শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি ও অধ্যবসায়ের ফলেই আজকের এই ফলাফলের অন্যতম কারণ বলেই বিদ্যালয় কতৃপক্ষ মনে করেন। তাই পরিশেষে বিদ্যালয়ের ভালো ফলাফলের জন্য বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সদস্যবৃন্দ, শিক্ষকমন্ডলী, অভিভাবক ,শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীসহ সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। শুভেচ্ছান্ত, মোহাম্মদ মোকাররম হোসেন (আপন)। সহকারী প্রধান শিক্ষক।

Read More »

আমলা তান্ত্রীক জটিলতাই জাতীয়করণের অন্তরায়!

আমলা তান্ত্রিক জটিলতাই জাতীয়করণের অন্তরায়! বেসরকারী শিক্ষা ব্যাবস্থা দেশ স্বাধীনের ৪৮ বছরেও জাতীয়করণ না হওয়ার অন্যতম কারণ আমলা তান্ত্রিক জটিলতা বলেই আপাত দৃষ্টিতে মনে হয়। শিক্ষা ব্যাবস্থা জাতীয়করণ হলে তাদের কতৃত্ব অনেকটা খর্ব হবে মনে করেই তারা জাতীয়করণ বিরোধী অবস্থানে স্থির। তাই তারা বিভিন্ন সময়ে সরকারকে ভুল হিসেব দিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকার চিত্র সরকারের সামনে উপস্থাপন করেন। আর সেই হিসেব দেখেই সরকার জাতীয়করণ থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়।আসলে আমলারা এ দেশের শিক্ষা ব্যাবস্থা জাতীয়করণ কখনো চায় না, তারা যদি সঠিক ভাবে জাতীয়করণের হিসেবটা সরকারের সামনে তুলে ধরতেন তাহলে এ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা আরো অনেক আগেই জাতীয়করণ হয়ে যেতো তাতে কোনো সন্দেহ নাই। এক টাকা আয় না থাকা সত্বেও যেখানে প্রাথমিক স্তর জাতীয়করণ করা সম্ভব। সেখানে হাজার কোটি টাকা আয় থাকা সত্বেও কেনো, মাধ্যমিক স্তর জাতীয়করণ হয় না? এই প্রশ্ন শুধু আমার ব্যাক্তিগত নয়,এটা সকল বেসরকারী শিক্ষক ও গোটা জাতির প্রশ্ন?আজ গ্রামকে শহরে রুপান্তরের ঘোষনা দেওয়া হয়েছে। গ্রামকে শহরে পরিণত করতে সবার আগে প্রয়োজন বৈষম্য মুক্ত শিক্ষা ব্যাবস্থা।বৈষম্য মুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়তে সকল শিক্ষা ব্যাবস্থা জাতীয়করণ করার বিকল্প নাই। শহরে বসবাস করে মূলত উচ্চ শ্রেণির বা মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন।পক্ষান্তরে গ্রামে বসবাস করে নিম্ন শ্রেণির জনগোষ্ঠি। যাদের সরকার প্রদত্ত বেশি সুযোগ সুবিধা পাওয়ার কথা কিন্তু বাস্তব চিত্র তার উল্টো উচ্চ শ্রেণির লোকজনই সরকারী সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে, বঞ্চিত হচ্ছে নিম্ন শ্রেণির জনগোষ্ঠি। শহরে সকল স্কুল কলেজ সরকারী যেখানে লেখা পড়ার খরচ তুলনা মূলক অনেক কম। পক্ষান্তরে গ্রামের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারী নাই বললেই চলে।যেখানে লেখা পড়ার খরচ অন্তত ৪/৫ গুন বেশি। তাহলে দেখা যাচ্ছে যেখানে সরকারী সুযোগ সুবিধা পাওয়ার কথা ছিলো দরিদ্র জনগোষ্ঠির তা না হয়ে সুবিধা ভোগ করছে উচ্চ শ্রণির জনগোষ্ঠি যাদের অর্থনৈতিক কোনো সমস্যা নাই। এতো বৈষম্য থাকলে গ্রামকে শহরে রুপান্তর করা বাস্তবে কি সম্ভব? এটা শুধু স্বপ্নই থেকে যাবে গ্রাম আর বাস্তবে শহরে রুপ নিতে পারবে না। মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় গুলোর সমস্ত আয় সরকারী কোষাগারে বুঝে নিয়ে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করলে সরকারের কোনো অতিরিক্ত খরচ হওয়ার সম্ভাবনা নাই বললেই চলে। মাধ্যমিক স্তরের একটা সম্ভাব্য হিসেব আমি তুলে ধরার চেষ্টা করছি। দেশে ৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ১ কোটি ধরে,যদি প্রতি শিক্ষার্থী ২০ টাকা বেতন হয়, তাহলে মাসিক আয় দাঁড়ায় ২০ কোটি, বাৎসরিক আয় হবে ২৪০ কোটি আর প্রতি শিক্ষার্থী যদি ৩০০টাকা সেশন চার্জ দিলে আয় হবে ৩০০ কোটি টাকা, এছাড়া প্রত্যেক স্কুলের যে সম্পদ আছে তা থেকে বাৎসরিক আয় হবে কম পক্ষে ১০০০ কোটি টাকা, এছাড়াও আরো বিভিন্ন রকম আয় আছে। সর্বসাকুল্যে আয় ধরা যায় বাৎসরিক ৩০০০ কোটি টাকার বেশি বৈ কম নয়। তাহলে সকল বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এক যোগে জাতীয়করণে বাধা কোথায়? বাধা শুধু আমলা তান্ত্রীক জটিলতায়। আমলাদের এলোমেলো হিসেবের কারণেই আটকে আছে জাতীয়করণের ঘোষণা। তাই আমি শিক্ষাবান্ধব সরকারের নিকট বিনীত আবেদন জানাই, আমলাদেরকে গুরুত্ব না দিয়ে দেশের দরিদ্র শ্রেণির জনগোষ্ঠির কথা এবং অসহায় বেসরকারী শিক্ষকদের কথা বিবেচনা করে,গ্রামকে শহরে রুপান্তরের স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিতে সমগ্রহ শিক্ষা ব্যাবস্থাকে জাতীয়করণের ঘোষনা দিয়ে সকল বৈষম্যের অবসানই হোক শিক্ষাবান্ধব সরকারের প্রথম ও প্রধান লক্ষ্য। জয় বাংলা ********* জয় বঙ্গবন্ধু। মোহাম্মদ মোকাররম হোসেন (আপন)। সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি( নজরুল), চট্টগ্রাম বিভাগ।

Read More »

অধিকার প্রতিষ্ঠায় চাই ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন!

অধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন চাই! বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা যে বৈষম্যের পাহাড়ের নিচে চাপা পরেছেন সেখান থেকে পরিত্রানের পথ বড়ই কঠিন। হাজার ও বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে আজ বেসরকারী শিক্ষকরা এই অবস্থানে পৌঁছেছেন। বেসরকারী শিক্ষকদের অনেক বৈষম্য আমি তুলে ধরার চেষ্টা করেছিলাম আমার বিগত দুটি লেখনিতে। আজ আর বৈষম্য নিয়ে নাই বা লিখলাম।আজ লিখতে চেষ্টা করবো বৈষম্য থেকে পরিত্রানের উপায় নিয়ে। বেসরকারী শিক্ষকরা শিক্ষা ব্যবস্থার শুরু থেকেই নানা ধরনের বঞ্চনা গঞ্ছনার স্বীকার হয়ে আসছেন তা আর বলার অবকাশ রাখে না। স্বাধীনতা পরপর্তী এ দেশের বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য জাতীয় বেতন কাঠামোর আওতায় আসতে লেগেছিলো প্রায় একযুগ সময়।১৯৭১ সালের পরে নানা আন্দোলন কর্মসূচীর প্রেক্ষিতে ১৯৮১ সালে প্রথম বারের মত বেসরকারী শিক্ষক সমাজ জাতীয় পে-স্কেলের অর্ন্তভুক্ত হয়। যা মূল বেতনের মাত্র ৫০% হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১৯৮১ সালের পরবর্তীতে সেই আন্দোলনের ধারাকে অব্যাহত রেখে দীর্ঘ ২৮ বছরের প্রচেষ্টায় ২০০৮ সালে বেসরকারী শিক্ষকরা শতভাগ মূল বেতন অর্জন করতে সক্ষম হয়।সাথে ২৫% উৎসব ভাতাও অর্জিত হয়।এবং ২০০০ পরবর্তী সময়ে শিক্ষকদের অবসর ও কল্যানের নামে গঠিত হয় অবসর ও কল্যানট্রাস্ট বোর্ড, যেখানে শিক্ষক-কর্মচারীদের নিজেদের চাঁদার বিনিময়ে তাদের অবসর ও কল্যানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যা আপাত দৃষ্টিতে শুভঙ্করের ফাঁকি ছাড়া আর কিছুই নয়। ২০০৯ পরবর্তী সময়ে শিক্ষকদের আন্দোলনের কর্মসূচী ধীরে ধীরে কমতে থাকে এবং শিক্ষক সংগঠনের সংখ্যাও বাড়তে থাকে, ফলে বিভিন্ন সময়ে আন্দোলনের নামে নানা ধরনের বিশৃঙ্খল কর্মসূচী পালনের মাধ্যমে শিক্ষক-কর্মচারীদের ৫% ইনক্রিমেন্ট ও ২০% বৈশাখী ভাতা অর্জন করলেও সেই সাথে শিক্ষক কর্মচারীদের মূল বেতন ১০০% থেকে ৯০% নেমে আসে। যা বর্তমান শিক্ষক-কর্মচারীদের মনে শুধু হতাশারই সৃষ্টি করেছে তা নয় তাদের মনে তীব্র ক্ষোভের ও সৃষ্টি করে। আজ আমাদের এই ছত্রভঙ্গ আন্দোলনই আমাদেরকে আবার ব্যাক ফুটে ঠেলে দিচ্ছে বলে আমি মনে করছি। আজ দেশ স্বাধীনের ৪ যুগ পরেও আমরা শিক্ষক সমাজ বৈষম্যের বেড়াজাল কাটতে পারলাম না কেনো?এটা আমাদের জন্য চরম অপমানের এবং অমর্যাদার বলে গোটা শিক্ষক সমাজ মনে করে। এর জন্য আমরা শিক্ষক সমাজও যে, কম দ্বায়ি তা নয়। আজ পর্যন্ত আমরা একটা ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে পারলাম না কেনো? এই প্রশ্ন আমি গোটা শিক্ষক সমাজের উপরেই রাখলাম। তাই আমি আজ গোটা শিক্ষক সমাজের সকল সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আর্কষন করে বলছি, পবিত্র রমজান মাসে আমরা নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার শপথ নিয়ে সকল শিক্ষক মিলে একটা ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলতে সংঘবদ্ধ হওয়ার সবোর্চ্চ চেষ্টা করি।এবং স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ের সর্ব-বৃহৎ ঐক্য বদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলে নিজেদের অধিকার জাতীয়করণ আদায় করে নেওয়ার মাধ্যমে জাতি গঠনে নিজেদেরকে সম্পৃক্ত করি। আমাদের সবার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য যদি একই হয়, তাহলে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে বাধা কোথায় নিজেদের অধিকার আদায়ে আমাদের ভূমিকাই যদি প্রশ্ন বিদ্ধ হয় তাহলে আমরা দাবি আদায় করবো কিভাবে? তাই আসুন আমরা সবাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধরে এবং জাতির জনকের ৭ ই মার্চের ভাষণকে সামনে রেখে আমরা প্রতিটি বিদ্যালয়ে এক একটি দূর্গ গড়ে তুলি। আমরা আমাদের সকল ইগো, হতাশাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একটা দূর্বার আন্দোলন গড়ে তুলি এবং নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করি। জয় বাংলা ********* জয় বঙ্গুবন্ধু। মোহাম্মদ মোকাররম হোসেন (আপন)। সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি(নজরুল), চট্টগ্রাম বিভাগ।

Read More »

ঘূর্ণিঝড় ‘ফনি’ মোকাবেলায় বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদকঃ ঘূর্ণিঝড় ‘ফনি’ মোকাবেলায় বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে। ভারতের উপকূলে ঘূর্ণিঝড় ‘ফনি’ আঘাত হানার পর কিছুটা দুর্বল হয়ে আগামী ৪ মে বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে। তাই এটি মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এই সঙ্গে উপকূলের সব আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর: বাগেরহাট: উপকূলের দিকে ধেয়ে আসা প্রবল …

Read More »

বৈষম্যের পাহাড়ে চাপা এম,পি,ও ভুক্ত শিক্ষকরা:

বৈষম্যের পাহাড়ে চাপা এম,পি,ও ভুক্ত শিক্ষকরা! বেসরকারী শিক্ষকদের মুক্তি যে সহজে হবার নয় তা বলার আর অবকাশ নাই।সারা দিন, সারা বছর লিখতে থাকলেও তাদের বৈষম্য লিখা শেষ হবার নয়। তবুও লিখতে যখন শুরু করছি অন্তত কয়েকটি বৈষম্য তুলে ধরার প্রয়াস করছি, যদি কখনো,কোনো একদিন রাষ্টের কর্ণধরদের কারো দৃষ্টি গোচর হয়। প্রথমেই সর্বশেষ ঘোষিত পে-স্কেল দিয়ে শুরু করি।সর্বশেষ ঘোষিত পে-স্কেলে বেসরকারী শিক্ষদের সম্পূর্ণরুপে বঞ্চিত করার অপ্রয়াস ও নেহায়েত কম ছিলো না।দীর্ঘ আন্দোলনের আট মাস পরে বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীরা পে-স্কেলের অন্তর্ভুক্ত হয়। পে-স্কেলে ঘোষিত বার্ষিক ৫% প্রবৃদ্ধি কার্যকর হয় জুলাই/২০১৬ থেকে শুধু বঞ্চিত থেকে যায় বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীরা।দীর্ঘ দুই বছর সংগ্রাম করে ২০১৮ সালে অর্জিত হয় আকাঙ্ক্ষিত বার্ষিক প্রবৃদ্ধি।যার বিগত দুই বছরের বকেয়া বাদ দিয়ে কার্যকর করা হলো। এর পরে ঘোষিত হলো প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য বৈশাখী ভাতা/২০১৭ থেকে। সেখানেও বঞ্চিত করা হলো বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীদেরকে।এবারেও দুই বছর আন্দোলন,সংগ্রাম করে ২০১৯ সালে বৈশাখী ভাতার মুখ দেখতে পায় বেসরকারীরা তাও আবার বৈশাখের এক সপ্তাহ পরে এবং বিগত দুই বছেরর বকেয়া বাদ দিয়েই। ২০১৮ সালে ৫% বার্ষিক প্রবৃদ্ধি দেওয়ার আট মাস পরেই আবার অবসর কল্যানের নাম করে বেসরকারী দের অনুদান থেকে অতিরিক্ত ৪% কর্তনও করে নেওয়া হয়। যার ফলে দেখা যায় তাদের বেতন ভাতা আগের জায়গায় রয়ে যায়।প্রবৃদ্ধি ঘোষিত হলেও প্রকৃত পক্ষে তারা সুবিধা বঞ্চিত হলো ৪% কর্তনের মাধ্যমে। এর পরে টাইমস্কেল থেকে বঞ্চিত করা হলো হাজার হাজার বেসরকারীদের। যার ফলে বড় ধরনের বৈষম্যের স্বীকার হতে হলো নিরীহ টাইমস্কেল বঞ্চিতদের।এছাড়া পদন্নতিতে আনা হলো ব্যাপক পরিবর্তন যে কারনে অনেকে আইনের বেড়াজালে আটকা পড়লো পদন্নতি নামক সোনার হরিণ থেকে। এর পরে বলবো বাড়ি ভাড়ার কথা বেসরকারী শিক্ষক- কর্মচারী সবাই বাড়ি ভাড়া পান মাত্র এক হাজার টাকা।যেখানে প্রতিষ্ঠান প্রধান থেকে শুরু করে ঝাড়ুদার পর্যন্ত সবাই সমান।হাজার টাকায় বাড়িভাড়া এ দেশের কোথায়ও আছে বলে অন্তত আমার জানা নাই। আমিও আমার এলাকা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে একটা বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে চাকরী করছি। যেখানে বাড়ি ভাড়া বাবদ প্রতিমাসে গুনতে হয় কম পক্ষে ৮/ ১০ হাজার টাকা।এছাড়া বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীরা সবাই চিকিৎসা ভাতা পায় ৫০০ টাকা। এছাড়াও আরো অনেক বৈষম্য লিখা যাবে, তবে আজ আর লিখলাম না। বাঁকী বৈষম্য গুলো না হয় আর একদিন তুলে ধরার চেষ্টা করবো। আজ যে বৈষম্য গুলো তুলে ধরেছি এতো গুলো বৈষম্য বুকে নিয়ে একজন শিক্ষক কি করে আশানুরুপ পাঠদান করবেন সে কথা আমি এ দেশের বিশিষ্ট জনদের উপরেই ছেড়ে দিলাম।আমাদেরও তো পরিবার পরিজন আছে, তাদেরকেও তো ভরনপোষণের দায়িত্ব আমাদেরকেই নিতে হয়। এ পর্যন্ত শিক্ষকরা যা পেয়েছে তা আন্দোলনের মাধ্যমেই পেয়েছে।এ থেকেই বোঝা যায় আগামী দিনেও আন্দোলন ছাড়া কিছু আদায় করা মনে হয় অত্যন্ত কষ্টকর। তার পরেও আমি বলবো বর্তমান শিক্ষাবান্ধব সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী শেখ হাসিনা উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো বিবেচনা করে সকল বেসরকারী শিক্ষা ব্যবস্থা এক যোগে জাতীয়করণের ঘোষনা দিয়ে শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করে পুরো শিক্ষক সমাজকে কৃতজ্ঞতা পাশে আবদ্ধ করবেন। জয় বাংলা জয়বঙ্গু বন্ধু। মোহাম্মদ মোকাররম হোসেন (আপন)। সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি, চট্টগ্রাম বিভাগ।

Read More »