৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
বুধবার , মে ২২ ২০১৯
Breaking News
Home / ২০১৯ / মে / ১৪

Daily Archives: মে ১৪, ২০১৯

মুক্তি যুদ্ধের চেতনায় জাগতে হবে বেশিকদের!

মুক্তি যুদ্ধের চেতনায় জাগতে হবে বেশিকদের! হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতীর জনক বঙ্গ বন্ধু শেখ মুজিবের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে জেগে ওঠার সময় এসেছে বেসরকারী শিক্ষক কর্মচারীদের।বঙ্গবন্ধুর দীক্ষা ছিলো অধিকার আদায়ের দীক্ষা। নিজের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার দীক্ষা। আমরা বীর বাঙালী,আমাদের আর একবার জাগতে হবে এ দেশের সকল শিক্ষা ব্যবস্থার সকল বৈষম্য রুখে দিতে এদেশের ধ্বনি দরিদ্রের বৈষম্য দূর করার সময় এসেছে। আর ধৈর্য্য ধরার সময় নাই। এবার ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙেছে।আর কত অবহেলিত থাকবে এ দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠি? স্বাধীনতার ৪৮ বছর পেরিয়ে আজও কেনো আমরা পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ থাকবো।তা হতে পারেনা, হতে দেওয়া যায় না। শিক্ষা কি শুধু ধ্বনিক শ্রেণির জন্য? নাকি এ দেশের আপামর জন সাধারনের জন্য?যদি সকল নাগরিকের সমান অধিকার হয়, তাহলে সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শুধু মাত্র ধ্বনিক শ্রেণির সন্তানদের সুযোগ দেওয়া হলো কেনো?এ দেশের সকল সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শহর কেন্দ্রিক যেখানে বসবাস করেন সমাজের উচু শ্রেণির লোকজন। পক্ষান্তরে গ্রামে বাস করে নিম্ন শ্রেণির তথা নিম্ন আয়ের লোকজন। যেখানে আজও গড়ে ওঠেনি কোনো সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় বা কলেজ।তাহলে কি আমরা এটাই বুঝবো উচ্চ শিক্ষা শুধু উচ্চ শ্রেণির সন্তানদের জন্য? আর নিম্ন আয়ের সন্তানদের জন্য শুধুই প্রাথমিক শিক্ষা? স্বাধীন বাংলায় কি করে তা হতে দেওয়া যায়? জাতি হিসেবে তো আমাদের ও একটা দায়বদ্ধতা আছে। ধ্বনি দরিদ্র সবার জন্য সমান ভাবে শিক্ষা ব্যবস্থার সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়ার। সেই দায়বদ্ধতা থেকে আসুন আমরা সবাই আর একবার ৭১ এর চেতনায় জেগে উঠি।এ দেশের সকল বৈষম্য দূর করতে নিজেদেরকে তৈরী করি।এ বৈষম্য শুধু শিক্ষকদের নয়। এ বৈষম্য সমগ্রহ জাতির, এ বৈষম্য ধ্বনি -দরিদ্রের, এ বৈষম্য শ্রমিক -মালিকের, এ বৈষম্য পেশা জীবি- আমলাদের।এই বৈষম্য দূর করতে সবার আগে প্রয়োজন সকল শিক্ষা ব্যবস্থা সরকারী করা। তাই আসুন আমরা বঙ্গবন্ধুর সেই ৭ ই মার্চের ভাষনের শ্লোগানকে সমানে রেখে বলি! আমাদের এবারের সংগ্রাম, বেশিক মু্ক্তির সংগ্রাম।আমাদের এবারের সংগ্রাম সকল বৈষম্য রুখে দোওয়ার সংগ্রাম।আমাদের এবারের সংগ্রাম অধিকারের সংগ্রাম।এবারের সংগ্রাম কর্তন রুখে দেওয়ার সংগ্রাম।এবারের সংগ্রাম অবসর কল্যান বোর্ডের বিলুপ্তির সংগ্রাম। এবাররের সংগ্রাম শিক্ষা জাতীয়করণের সংগ্রাম। তাই আসুন প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানে এক একটি দূর্গ গড়ে তুলি,সংগ্রামে যখন নেমেছি তখন সংগ্রাম চালিয়ে যাবো, তবুও জাতীয়করণ আদায় করেই ছাড়বো ইনশাল্লাহ। জয় বাংলা ★★★★★ জয় বঙ্গবন্ধু। লেখক............ মোহাম্মদ মোকাররম হোসেন (আপন)। সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি(নজরুল), চট্টগ্রাম বিভাগ।ও

Read More »

পীযুষ বন্দোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করার দাবি

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ দাড়ি রাখা, টাখনুর ওপর কাপড় পড়া ‘জঙ্গি লক্ষণ’ বলে সম্প্রীতি বাংলাদেশ নামক সংগঠনের আহ্বায়ক পীযুষ বন্দোপাধ্যায়ের প্রচার করা বিজ্ঞাপনে ক্ষোভ প্রকাশ করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। গতকাল এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ইসলামের আবশ্যক পালনীয় দাড়ি রাখা, টাখনুর ওপর কাপড় পড়াসহ বেশ কিছু লক্ষণকে …

Read More »

এমপিও কমিটির সভা ১৮ মে

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের এ মাসের এমপিও কমিটির সভা আগামী ১৮ মে অনুষ্ঠিত হবে। পদাধিকার বলে সভায় সভাপতিত্ব করবেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক। শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি সূত্র দৈনিকশিক্ষাখবর ডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিতব্য সভায় এমপিওর আওতাভুক্ত শূন্যপদে কর্মরত ইনডেক্সবিহীন শিক্ষকদের …

Read More »

এম,পি,ও ভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে বিরাজমান হতাশা চরমে!

এম,পি ও ভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে বিরাজমান হতাশা চরমে! শুরুতেই শ্রদ্ধার সাথে স্মরন করছি,স্বাধীন বাংলার স্থপতি, নির্ভীক বীর সন্তান, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে।আজও ভাবতে অবাক লাগে! স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৮ বছরেও এ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার করুন পরিনতি! যে স্বপ্ন বুকে নিয়ে এক রক্ত ক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা। আজ কি সেই স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছি আমরা? এই প্রশ্নের উত্তর খুব সহজেই অনুমেয় তাই এর উত্তর আমি নাইবা দিলাম।আজ শিক্ষকরা বড়ই হতাশা গ্রস্ত!হাজারও বৈষম্য চারদিক থেকে আমাদের যেনো আষ্টেপিষ্টে রেখেছে।আমাদের চারদিকে যেনো আজ অথৈ সাগর বের হবার যেন সব রাস্তাই বন্ধ যেনো হয়ে গিয়েছে! এই হতাশার হাজার ব্যাখ্যা আছে। এতো সব ব্যাখ্যা তো আর একদিনে দেওয়া সম্ভব নয়! তাই অন্তত পক্ষে বর্তমানের প্রেক্ষাপটে কয়েকটি তুলে ধরবার চেষ্টা করছি।প্রথমে বলতে হয় সরকারী চাকুরীজীবিদের কিছু সুযোগ সুবিধার কথা।বর্তমান সরকার, সরকারী চাকুরীজীবিদের বিভিন্ন রকম সুযোগ সুবিধা নির্দিধায় দিয়ে চলেছেন।যেমন বৈশাখী ভাতা, বার্ষিক প্রবৃদ্ধি,বিজয় দিবসভাতা,কম সুদে গৃহঋনের সুবিধা,পার্বত্য ভাতা,ঝুকি ভাতা ইত্যাদি ইত্যাদি আরো কত সুবিধা। অপরদিকে দেশের সমগ্রহ শিক্ষা ব্যবস্থার ৯৭% যাদের দায়িত্বে পরিচালিত হচ্ছে তাদেরক বঞ্চিত করা হচ্ছে প্রাপ্য সুবিধা থেকে।মানুষের মৌলিক অধিকার গুলোর মধ্যে অন্যতম মৌলিক অধিকার হচ্ছে শিক্ষা। আর সেই শিক্ষা স্বাধীনতার ৪৮ বছেরও কেনো বৈষম্য মুক্ত হলো না?? শিক্ষা জাতীয়করণে সমস্যা কোথায়? শিক্ষকদের সুযোগ সুবিধা দিলে দেশের ক্ষতি নাকি লাভ? হাজার প্রশ্নবানে জর্জরিত আজকের এই শিক্ষক সমাজ। শিক্ষকদের কল্যানে ১৮ বছর আগে চালু হয়েছিলো অবসর ও কল্যানট্রাস্ট বোর্ড!কিন্তু দু:খের বিষয় এই অবসর ও কল্যান বোর্ডের কোনো জবাব দিহীতা নাই। যাদের নিজেদের টাকা কেটে এই কল্যাণের ব্যবস্থা করা হলো। তারা হাজার সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকলেও এই কল্যান বোর্ডের কর্মকতা কর্মচারীরা পান সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমান বা বেশী সুযোগ সুবিধা। যা কিনা আবার শিক্ষকদের কর্তনের টাকায়!ভাবতে অবাক লাগে যাদের টাকায় সকল রকম সুযোগ সুবিধা ভোগ করেন তাদের কেনো সুবিধা বঞ্চিত থাকতে হয়! শিক্ষকদের যদি কল্যানই করার থাকে তাহলে তাদের টাকায় কেনো? আবার অবসরের পরে বছরের পর বছর জুতার তলা ক্ষয় করতে করতে এক সময় নিজেই ক্ষয়ে যায় ঢলে পরে মৃত্যুর কোলে তবুও অবসর কল্যানের টাকা জোটে না হতভাগা শিক্ষকের ভাগ্যে।পূর্বে যে ৬% টাকা কর্তন করা হতো সেই টাকাটা যদি আমরা নিজেদের ব্যাংক একাউন্টে রাখি তাতেও অবসর কল্যানের টাকার থেকে অনেক বেশি পাওয়া যায় সেই হিসাব শিক্ষকরা বহুবার দেখিয়েছে।তা ছাড়াও ব্যাংকের টাকা তুলতে কোনো সময়,কাগজপত্র বা দৌড় ঝাপের প্রয়োজন পড়তো না।তাহলে আমাদের এই অবসর কল্যান কি আসলেই শিক্ষকদের কল্যানে নাকি অন্য কোনো আজানা কারও কল্যানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো এই প্রশ্ন এখন শিক্ষক সমাজ তো বটেই গোটা জাতির মনে! এতো প্রশ্ন যেখানে অনেক আগে থেকেই ঘুরপাক খাচ্ছিলো, সেখানে আবার নতুন করে ৪% কর্তন শুরু হয়ে গেলো।এর পরেও শিক্ষরা কিভাবে ধৈর্য্য ধারন করবে? এই প্রশ্ন রাখছি আজ জাতির বিবেকের নিকট! প্রত্যেক মানুষই কর্মজীবনের পরে অবসর যায় বিশ্রামের জন্য না হয় অপারগতার জন্য। সেই অবসর প্রাপ্ত অথর্বদের দায়িত্ব দেওয়া হয় শিক্ষকদের কল্যান করার জন্য। এই অথর্ব ব্যক্তিরা টাকা মেরে খাওয়া ছাড়া আর কি এমন মহান কল্যান করতে পারবেন? নিত্য নতুন টাকা মারার কৌশন বের করতেই তো তাদের সময় শেষ। যার ফলশ্রুতি আমাদের আজকের এই অতিরিক্ত ৪% কর্তন। এছাড়া আরো অনেক কষ্ট আজ এম,পি,ও ভুক্ত শিক্ষকদের বুকে বাসা বেধেঁছে।যেমন এক হাজার টাকা বাড়ি ভাড়া। যা বাংলাদেশের কোথাও সম্ভব নয়।৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা,২৫ % উৎসব ভাতা দুই বছরের বকেয়া না দিয়েই বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ও বৈশাখী ভাতা প্রদান।নাই কোনো টিফিন ভাতা, ঝুকি ভাতা, পাহাড়ি ভাতা। যা আছে তা শুধু পাহাড়সম বৈষম্য। এই বৈষম্য বাইতে বাইতে আজ শিক্ষকরা বড়ই ক্লান্ত,বড়ই হতাশা গ্রস্ত।এই বৈষম্য আমরা আর নিতে পারছি না। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,মানবতার মা,জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট কৃতজ্ঞতা চিত্তে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। সকল নিপীড়ন,নির্যাতন, হতাশা ও বৈষম্য থেকে এম,পি,ও ভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মুক্ত করতে অনতিবিলম্বে দেশের সকল বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকুরী জাতীয়করণের ঘোষণা দিয়ে ক্ষত হৃদয়কে কর্মচঞ্চলতা তথা শিক্ষা মুখী করে তুলুন।সবশেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। জয় বাংলা ★★★★★ জয় বঙ্গবন্ধু। লেখক....... মোহাম্মদ মোকাররম হোসেন (আপন)। সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি, চট্টগ্রাম বিভাগ।

Read More »