৪ঠা আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার , জুন ১৮ ২০১৯
Breaking News
Home / এনটআরসিএ / সুপ্রিম কোর্টের এ্যাডভোকেট ইসরাত হাসান কনফারেন্সের মাধ্যমে ১-১২তমদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং বেঃ শিঃ নিঃ বঃ মহাঐক্য পরিষদের গাইবান্ধা জেলার কমিটি অনুমোদন

সুপ্রিম কোর্টের এ্যাডভোকেট ইসরাত হাসান কনফারেন্সের মাধ্যমে ১-১২তমদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং বেঃ শিঃ নিঃ বঃ মহাঐক্য পরিষদের গাইবান্ধা জেলার কমিটি অনুমোদন

আজকে গাইবান্ধা জেলার পৌরপার্কে বেসরকারী শিক্ষক নিয়োগ বঞ্চিত মহাঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জাহিদ উপস্থিত ছিলেন । তিঁনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের এ্যাডভোকেট ইসরাত হাসান এর মাধ্যমে নিবন্ধিত(১–১২)তমদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন । তিঁনি বলেন, ইতি মধ্যে উপজেলা ও জেলা কোটা কেন অবৈধ নয়, তা রুল জারী করেছি ।

তিঁনি (ম্যাডাম) বলেন, ডিসেম্বরের ১৫ তারিখের মধ্যে আমরা রীট মামলার পজেটিভ রায় পাব ইনশআল্লাহ । জাহিদ সাহেব (১–১২)তম নিবন্ধিতদের বিষয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।
মহাঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি সাখাওয়াত মুঠোফোনে আশার বানি শুনান এবং বলেন আমরা জয় পাব ইনশাল্লাহ, কমিটি করতে বলেন। হাইকোটে চলমান সকল রীট মামলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনা করেন । উপস্থিত নিবন্ধিত সকলে জাহিদ ভাইকে সামনে এগিয়ে যেতে বলেন । নিবন্ধিতরা বলেন আমরা আপনাকে সহযোগিতা করব ইনশআল্লাহ ।
আজকে বেসরকারী শিক্ষক নিয়োগ বঞ্চিত মহাঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি জাহিদ গাইবান্ধা জেলার নিয়োগ বঞ্চিত মহাঔক্য পরিষদের কমিটি ঘোষনা করেন । কমিটির দায়িত্ব প্রাপ্তরা হলেন নিম্নে………

(১) সভাপতি
মোঃ শফিকুর রহমান
মোবাইল – 01718-409-887

(২) সেক্রেটারি
মোঃ আলমগির প্রামাণিক
মোবাইল – 01719-302584

(৩) সাংগাঠনিক সম্পাদক
মোঃ ফেরদৌস জামান (রিপন)
মোবাইল – 01755-240-948

(৪) প্রচার সম্পাদক
মোঃ আব্দুর রউফ
মোবাইল – 01770-656-655

(বি, দ্র: গাইবান্ধা জেলার পূর্ণাঙ্গ কমিটি পরে জানানো হবো)

Facebook Comments

Check Also

মাধ্যমিকে পাশের হার ৮২.২০ জিপিএ-৫ ১০৫৫৯৪

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাশের হার ৮২.২০ জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০৫৫৯৪ জন শিক্ষার্থী। আগের …

বৈষম্যের পাহাড়ে চাপা এম,পি,ও ভুক্ত শিক্ষক পর্ব-২!

বৈষম্যের পাহাড়ে চাপা এম,পি,ও ভুক্ত শিক্ষক পর্ব-২! গত একটি লেখায় আমি এম,পি,ও ভুক্ত শিক্ষকদের কয়েকটি বৈষম্য তুলে ধরার প্রয়াস করেছিলাম।আজ আরো দু-একটি বৈষম্য তুলে ধরার চেষ্ট করছি। আজ প্রথমেই বাড়ী ভাড়ার বিষয়টি আমি সংক্ষেপে একটু ব্যাখ্যা করতে চাই।যদিও আমি আগের লেখায় বাড়িভাড়ার বিষয়টি লিখেছিলাম কিন্তু বিষয়টি আরো একটু স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন বলে আমি মনে করছি। সরকারী সকল চাকুরীজীবি স্থান ভেদে বাড়িভাড়া পেয়ে থাকেন তার মূল বেতনের ৪৫% থেকে ৬০% যেমন একজন সরকারী চাকুরীজীবি প্রত্যন্ত গ্রামীন অঞ্চলে হলে বাড়িভাড়া পেয়ে থাকেন ৪৫% আবার যদি পার্বত্য এলাকায় চাকরী করেন তখন বাড়িভাড়া পেয়ে থাকেন ৬০%। এভাবে জেলা শহর, বিভাগীয় শহর,রাজধানী শহর বিভিন্ন জায়গায় বাড়িভাড়া বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে।সেখানে এম,পি,ও ভুক্ত শিক্ষকরা প্রতিষ্ঠান প্রধান থেকে পিয়ন পর্যন্ত সবাই পেয়ে থাকেন ১০০০ টাকা এখানে কোনো % অনুসরন করা হয় না। এর পর আমি বলবো উৎসব ভাতার কথা। আজ থেকে এক যুগের বেশি সময় ধরে শিক্ষকরা উৎসব ভাতা পেয়ে থাকেন।কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, উৎসব ভাতা পেয়ে থাকেন তার মূল বেতনের ২৫% আর কর্মচারীরা পেয়ে থাকেন মূল বেতনের ৫০%। ফলে দেখা যায় একজন ১২৫০০ বা টাকা ১৬০০ টাকা স্কেলের একজন শিক্ষক ৮২৫০ স্কেলের একজন পিয়নের চেয়ে কম টাকা উৎসব ভাতা পেয়ে থাকেন। যা তার উপর মর্যাদার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়। ২৫% উৎসব ভাতায় একজন শিক্ষকের পক্ষে কি তার পরিবার পরিজন নিয়ে উৎসব পালন করা সম্ভব এই প্রশ্নের উত্তর আমি দেশের কর্তা ব্যক্তিদের বিবেকের কাছেই ছেড়ে দিলাম!একজন শিক্ষক ৩০০০টাকা বা ৪০০০ টাকায় কি একটি নূন্যতম পশু ক্রয় করতে পারবেন সে প্রশ্নও রইলো জাতির বিবেকের নিকট। এর পরে আসি রেশিয় বা অনুপাত প্রথা প্রসংগে, একই যোগ্যতা নিয়ে দুই জন প্রভাষক যখন একই দিনে একই প্রতিষ্ঠানে যোগদান করে ৯ম গ্রেডে অর্থাৎ ২২০০০ টাকার বেতন স্কেলে চাকুরী শুরু করেন তখন দুজনেরই তো একই স্বপ্ন থাকে চাকরীতে পদোন্নতি নিয়ে। অনুপাত প্রথার বেড়াজালে পরে এবং অযোগ্য গর্ভনিং বডির অদক্ষায় তুলনামূলক ভালো শিক্ষকটি যখন ৯ম গ্রেডেই রয়ে যায়,তখন তুলনামূলক কম দক্ষ বা একই যোগ্যতা সম্পন্ন অন্য শিক্ষকটি ৮ বা ১২ বছরের অভিজ্ঞতায় ৬ষ্ঠ গ্রেড প্রাপ্ত হয়ে যান, তখন কি তার সহকর্মী তার কার্যক্রমে আর আগের মত উদ্দীপ্ত বা উৎজীবিত ভাবে কাজ করতে পারেন?এতো বৈষম্য শিক্ষা ব্যবস্থায় থাকবেকেনো? দেশ স্বাধীনের ৪৮ বছরেও কেনো আমাদের এতো বৈষম্য থাকতে হবে? আমরা এতো বৈষম্য চাই না, আমরা স্বাধীন জাতি আমাদের সম যোগ্যতা সম্পন্ন প্রত্যেকটি চাকুরীজীবির সমান সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা রাষ্টের দায়িত্ব নয় কি? আজ আর বৈষম্য লিখবো না। শুধু জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা মাদার অব হিউম্যনেটি দেশ রত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট বিনীত অনুরোধ করবো কোনো ষড়যন্ত্রলারী আমলা-কামলা যেনো কিছুতেই আপনার বাবার স্বপ্নকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রেখে সকল শিক্ষা ব্যবস্থাকে একযোগে জাতীয়করণের ঘোষণা দিয়ে,ডিজিটাল দেশ গড়ার কাজ আরো গতিশীল করবেন। এবং দেশের সকল শিক্ষা ব্যবস্থা যুগোপযোগী করতে আপনার সুদক্ষ নেতৃত্বের আরো উন্মেষ ঘটুক এবং আপনার সু-সাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে আজকের মত এখানেই শেষ করছি। জয় বাংলা ************ জয় বঙ্গবন্ধু। মোহাম্মদ মোকাররম হোসেন (আপন)। সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিত, চট্টগ্রাম বিভাগ।

বেসরকারি শিক্ষকদের বেতনে আসছে বড় পরিবর্তন

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা এখন থেকে চাকরির ৬ ও ১০ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড পাবেন। …

১০ই মে প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা শুরু-

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা ৫ ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

6 − 3 =

Skip to toolbar