৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার , মে ২৩ ২০১৯
Breaking News
Home / এনটআরসিএ / সহকারী গ্রন্থাগারিকদের কেন শিক্ষক স্ট্যাটাস দেয়া হবে না: হাইকোর্ট

সহকারী গ্রন্থাগারিকদের কেন শিক্ষক স্ট্যাটাস দেয়া হবে না: হাইকোর্ট

সহকারী গ্রন্থাগারিকদের কেন শিক্ষক স্ট্যাটাস দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। সম্প্রতি সহকারী গ্রন্থাগারিকদের শিক্ষক পদমর্যাদা চেয়ে দায়ের করা রিটের শুনানি শেষে বিচারপতি বি এম হাসান এবং বিচারপতি খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেছে। আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম শনিবার (৯ মার্চ) দৈনিক শিক্ষাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

তৌহিদুল ইসলাম আরও জানান, ‘গ্রন্থাগারিক, সহকারী গ্রন্থাগারিক এবং অফিস ব্যবস্থাপনার জন্য বা খণ্ডকালীন শিক্ষাদানের জন্য নিযুক্ত ব্যক্তিরা শিক্ষকদের মতোই সুবিধাভোগ করার সুযোগ পেলেও শিক্ষাবোর্ডের জারি করা প্রবিধানমালার ব্যাখ্যার কারণে তারা কর্মচারী হিসেবে গণ্য হন। প্রবিধানের এ ধারাকে চ্যালেঞ্জ করে সহকারী গ্রন্থাগারিকরা উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হন।’

তিনি আরও জানান, ‘রিটের শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।’ গত ফেব্রুয়ারি মাসে এ রুল জারি হয়।       

রিটকারী ও সহকারী গ্রন্থাগারিক সমিতির নেতা এ এফ এম কামরুল হাছান প্রতিবেদককে বলেন, ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ২২ ডিসেম্বর জারি করা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের  (মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি) সংশোধিত প্রবিধান মালায় বলা হয়েছে, ‘গ্রন্থাগারিক, সহকারী গ্রন্থাগারিক এবং অফিস ব্যবস্থাপনার জন্য বা খণ্ডকালীন শিক্ষাদানের জন্য নিযুক্ত কোনো ব্যক্তি শিক্ষক হিসেবে গণ্য হবেন না’। প্রবিধানমালায় এই ধারার ব্যাখ্যাকে চ্যালেঞ্জ করে এবং সহকারী গ্রন্থাগারিকদের শিক্ষক পদমর্যাদা দেয়ার আবেদন জানিয়ে রিট করা হয়েছে।

কামরুল বলেন, ‘সারাদেশের বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রায় দশ হাজার এমপিওভুক্ত সহকারী গ্রন্থাগারিক রয়েছেন। ২০১০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে শুরু করে পরবর্তী কয়েক বছরে নিয়োগ পাওয়া সহকারী গ্রন্থাগারিকরা শিক্ষক হিসেবে গণ্য হতেন এবং নিয়মিত ক্লাস নিয়ে আসছেন। কিন্তু হঠাৎ করেই একবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও আরেকবার শিক্ষাবোর্ড থেকে জারি করা আদেশ ও প্রবিধানে আমাদেরকে ননটিচিং স্টাফ হিসেবে গণ্য করা শুরু করেছে। এতে চরম ক্ষুব্ধ হয়েছেন সহকারী গ্রন্থাগারিকরা। এরপর শিক্ষা প্রশাসনের সব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করে, আবেদন-নিবেদন করেও শিক্ষকের মর্যাদা ফিরে পাইনি। নিতান্ত বাধ্য হয়ে সারাদেশের সব সহকারী গ্রন্থাগারিকদের সহায়তায় ও সিদ্ধান্তে আদালতের স্মরণাপন্ন হই।’ 

কামরুল আরও বলেন, শিক্ষকের মর্যাদা ফিরে পেতে সব সহকারী গ্রন্থাগারিকরা একাট্টা। সবার সহযোগিতায় আইনি লড়াই চালিয়ে যাব।   

Check Also

বৈষম্যের পাহাড়ে চাপা এম,পি,ও ভুক্ত শিক্ষক পর্ব-২!

বৈষম্যের পাহাড়ে চাপা এম,পি,ও ভুক্ত শিক্ষক পর্ব-২! গত একটি লেখায় আমি এম,পি,ও ভুক্ত শিক্ষকদের কয়েকটি বৈষম্য তুলে ধরার প্রয়াস করেছিলাম।আজ আরো দু-একটি বৈষম্য তুলে ধরার চেষ্ট করছি। আজ প্রথমেই বাড়ী ভাড়ার বিষয়টি আমি সংক্ষেপে একটু ব্যাখ্যা করতে চাই।যদিও আমি আগের লেখায় বাড়িভাড়ার বিষয়টি লিখেছিলাম কিন্তু বিষয়টি আরো একটু স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন বলে আমি মনে করছি। সরকারী সকল চাকুরীজীবি স্থান ভেদে বাড়িভাড়া পেয়ে থাকেন তার মূল বেতনের ৪৫% থেকে ৬০% যেমন একজন সরকারী চাকুরীজীবি প্রত্যন্ত গ্রামীন অঞ্চলে হলে বাড়িভাড়া পেয়ে থাকেন ৪৫% আবার যদি পার্বত্য এলাকায় চাকরী করেন তখন বাড়িভাড়া পেয়ে থাকেন ৬০%। এভাবে জেলা শহর, বিভাগীয় শহর,রাজধানী শহর বিভিন্ন জায়গায় বাড়িভাড়া বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে।সেখানে এম,পি,ও ভুক্ত শিক্ষকরা প্রতিষ্ঠান প্রধান থেকে পিয়ন পর্যন্ত সবাই পেয়ে থাকেন ১০০০ টাকা এখানে কোনো % অনুসরন করা হয় না। এর পর আমি বলবো উৎসব ভাতার কথা। আজ থেকে এক যুগের বেশি সময় ধরে শিক্ষকরা উৎসব ভাতা পেয়ে থাকেন।কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, উৎসব ভাতা পেয়ে থাকেন তার মূল বেতনের ২৫% আর কর্মচারীরা পেয়ে থাকেন মূল বেতনের ৫০%। ফলে দেখা যায় একজন ১২৫০০ বা টাকা ১৬০০ টাকা স্কেলের একজন শিক্ষক ৮২৫০ স্কেলের একজন পিয়নের চেয়ে কম টাকা উৎসব ভাতা পেয়ে থাকেন। যা তার উপর মর্যাদার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়। ২৫% উৎসব ভাতায় একজন শিক্ষকের পক্ষে কি তার পরিবার পরিজন নিয়ে উৎসব পালন করা সম্ভব এই প্রশ্নের উত্তর আমি দেশের কর্তা ব্যক্তিদের বিবেকের কাছেই ছেড়ে দিলাম!একজন শিক্ষক ৩০০০টাকা বা ৪০০০ টাকায় কি একটি নূন্যতম পশু ক্রয় করতে পারবেন সে প্রশ্নও রইলো জাতির বিবেকের নিকট। এর পরে আসি রেশিয় বা অনুপাত প্রথা প্রসংগে, একই যোগ্যতা নিয়ে দুই জন প্রভাষক যখন একই দিনে একই প্রতিষ্ঠানে যোগদান করে ৯ম গ্রেডে অর্থাৎ ২২০০০ টাকার বেতন স্কেলে চাকুরী শুরু করেন তখন দুজনেরই তো একই স্বপ্ন থাকে চাকরীতে পদোন্নতি নিয়ে। অনুপাত প্রথার বেড়াজালে পরে এবং অযোগ্য গর্ভনিং বডির অদক্ষায় তুলনামূলক ভালো শিক্ষকটি যখন ৯ম গ্রেডেই রয়ে যায়,তখন তুলনামূলক কম দক্ষ বা একই যোগ্যতা সম্পন্ন অন্য শিক্ষকটি ৮ বা ১২ বছরের অভিজ্ঞতায় ৬ষ্ঠ গ্রেড প্রাপ্ত হয়ে যান, তখন কি তার সহকর্মী তার কার্যক্রমে আর আগের মত উদ্দীপ্ত বা উৎজীবিত ভাবে কাজ করতে পারেন?এতো বৈষম্য শিক্ষা ব্যবস্থায় থাকবেকেনো? দেশ স্বাধীনের ৪৮ বছরেও কেনো আমাদের এতো বৈষম্য থাকতে হবে? আমরা এতো বৈষম্য চাই না, আমরা স্বাধীন জাতি আমাদের সম যোগ্যতা সম্পন্ন প্রত্যেকটি চাকুরীজীবির সমান সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা রাষ্টের দায়িত্ব নয় কি? আজ আর বৈষম্য লিখবো না। শুধু জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা মাদার অব হিউম্যনেটি দেশ রত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট বিনীত অনুরোধ করবো কোনো ষড়যন্ত্রলারী আমলা-কামলা যেনো কিছুতেই আপনার বাবার স্বপ্নকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রেখে সকল শিক্ষা ব্যবস্থাকে একযোগে জাতীয়করণের ঘোষণা দিয়ে,ডিজিটাল দেশ গড়ার কাজ আরো গতিশীল করবেন। এবং দেশের সকল শিক্ষা ব্যবস্থা যুগোপযোগী করতে আপনার সুদক্ষ নেতৃত্বের আরো উন্মেষ ঘটুক এবং আপনার সু-সাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে আজকের মত এখানেই শেষ করছি। জয় বাংলা ************ জয় বঙ্গবন্ধু। মোহাম্মদ মোকাররম হোসেন (আপন)। সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিত, চট্টগ্রাম বিভাগ।

জাতীয় প্রেসক্লাবে আজ প্রতিবাদের ঝড়-dainikshikshakhobor

বিশেষ প্রতিবেদকঃ মাউশিতে ৩০/০৫/২০১৯ ইং তারিখে  ডিজি মহোদয়ের সাথে বেসরকারি শিক্ষক নেতাদের  মিটিং ফলপ্রসূ না …

৪% কর্তনের প্রতিবাদে প্রেসক্লাবের সামনে শিক্ষকদের বিক্ষোভ

স্টাফ রিপোর্টারঃ অবসর ও কল্যাণ ফান্ডের জন্য ১০ শতাংশ চাঁদা কর্তনের প্রজ্ঞাপন বাতিল দাবিতে আজ …

শিক্ষক সংঘটনের ৪ দিনের কর্মসূচি ঘোষনা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বেসরকারি স্কুল-কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন থেকে অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টের ফান্ডে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

eighteen + 19 =