৮ই চৈত্র, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার , মার্চ ২২ ২০১৯
Breaking News
Home / এনটআরসিএ / সহকারী গ্রন্থাগারিকদের কেন শিক্ষক স্ট্যাটাস দেয়া হবে না: হাইকোর্ট

সহকারী গ্রন্থাগারিকদের কেন শিক্ষক স্ট্যাটাস দেয়া হবে না: হাইকোর্ট

সহকারী গ্রন্থাগারিকদের কেন শিক্ষক স্ট্যাটাস দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। সম্প্রতি সহকারী গ্রন্থাগারিকদের শিক্ষক পদমর্যাদা চেয়ে দায়ের করা রিটের শুনানি শেষে বিচারপতি বি এম হাসান এবং বিচারপতি খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেছে। আইনজীবী তৌহিদুল ইসলাম শনিবার (৯ মার্চ) দৈনিক শিক্ষাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

তৌহিদুল ইসলাম আরও জানান, ‘গ্রন্থাগারিক, সহকারী গ্রন্থাগারিক এবং অফিস ব্যবস্থাপনার জন্য বা খণ্ডকালীন শিক্ষাদানের জন্য নিযুক্ত ব্যক্তিরা শিক্ষকদের মতোই সুবিধাভোগ করার সুযোগ পেলেও শিক্ষাবোর্ডের জারি করা প্রবিধানমালার ব্যাখ্যার কারণে তারা কর্মচারী হিসেবে গণ্য হন। প্রবিধানের এ ধারাকে চ্যালেঞ্জ করে সহকারী গ্রন্থাগারিকরা উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হন।’

তিনি আরও জানান, ‘রিটের শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।’ গত ফেব্রুয়ারি মাসে এ রুল জারি হয়।       

রিটকারী ও সহকারী গ্রন্থাগারিক সমিতির নেতা এ এফ এম কামরুল হাছান প্রতিবেদককে বলেন, ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দের ২২ ডিসেম্বর জারি করা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের  (মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি) সংশোধিত প্রবিধান মালায় বলা হয়েছে, ‘গ্রন্থাগারিক, সহকারী গ্রন্থাগারিক এবং অফিস ব্যবস্থাপনার জন্য বা খণ্ডকালীন শিক্ষাদানের জন্য নিযুক্ত কোনো ব্যক্তি শিক্ষক হিসেবে গণ্য হবেন না’। প্রবিধানমালায় এই ধারার ব্যাখ্যাকে চ্যালেঞ্জ করে এবং সহকারী গ্রন্থাগারিকদের শিক্ষক পদমর্যাদা দেয়ার আবেদন জানিয়ে রিট করা হয়েছে।

কামরুল বলেন, ‘সারাদেশের বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রায় দশ হাজার এমপিওভুক্ত সহকারী গ্রন্থাগারিক রয়েছেন। ২০১০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে শুরু করে পরবর্তী কয়েক বছরে নিয়োগ পাওয়া সহকারী গ্রন্থাগারিকরা শিক্ষক হিসেবে গণ্য হতেন এবং নিয়মিত ক্লাস নিয়ে আসছেন। কিন্তু হঠাৎ করেই একবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও আরেকবার শিক্ষাবোর্ড থেকে জারি করা আদেশ ও প্রবিধানে আমাদেরকে ননটিচিং স্টাফ হিসেবে গণ্য করা শুরু করেছে। এতে চরম ক্ষুব্ধ হয়েছেন সহকারী গ্রন্থাগারিকরা। এরপর শিক্ষা প্রশাসনের সব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করে, আবেদন-নিবেদন করেও শিক্ষকের মর্যাদা ফিরে পাইনি। নিতান্ত বাধ্য হয়ে সারাদেশের সব সহকারী গ্রন্থাগারিকদের সহায়তায় ও সিদ্ধান্তে আদালতের স্মরণাপন্ন হই।’ 

কামরুল আরও বলেন, শিক্ষকের মর্যাদা ফিরে পেতে সব সহকারী গ্রন্থাগারিকরা একাট্টা। সবার সহযোগিতায় আইনি লড়াই চালিয়ে যাব।   

Check Also

বেসরকারি কলেজে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগে যোগ্যতার সংশোধনী জারি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বেসরকারি কলেজে অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ নিয়োগের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার বিধান সংশোধন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সোমবার …

শুধু মাত্র আবেদনেই ৪৪ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে NTRCA

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে, মানসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগের দাবি ও প্রয়োজনীয়তার কথা বলে আসছেন …

রাষ্ট্রীয় কোষাগারে আয় ফেরত নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারিকরণ দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আয় রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত নিয়ে এমপিওভুক্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সরকারিকরণের দাবি জানিয়েছেন …

রিট চলাকালীন সময় পর্যন্ত ২৩০ জনের পদ সংরক্ষণের জন্য হাইকোর্টের নির্দেশ প্রদান।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে নিবন্ধন সনদ পাওয়া ১০৫ জনের পদ সংরক্ষণ করতে অন্তর্বর্তীকালীন …

Leave a Reply

Your e-mail address will not be published.

1 + 20 =

Skip to toolbar