৪ঠা আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার , জুন ১৮ ২০১৯
Breaking News
Home / জাতীয় / ভূরুঙ্গামারীতে ভিজিডি’র পঁচা চাল বিতরণ

ভূরুঙ্গামারীতে ভিজিডি’র পঁচা চাল বিতরণ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ২০১৯-২০ চক্রের ভিজিডি কর্মসূচীর আওতায় উপকারভোগীদের মাঝে পঁচা চাল বিতরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার উপজেলার তিলাই ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে দুঃস্থ মহিলা উন্নয়ন (ভিজিডি) কর্মসূচীর আওতায় ২০১৯-২০ চক্রের উপকারভোগীদের মাঝে ৫ মাসের ৫ বস্তা (১৫০ কেজি) করে চাল বিতরণ করেন ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদুল হক শাহীন শিকদার। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বিতরণকৃত ৫ বস্তা চালের মধ্যে ১-২ বস্তা চাল পঁচা যা খাওয়ার অনুপযোগী। উপকারভোগী তিলাই ইউপির ৫নং ওয়ার্ডের আছমা ৫ বস্তা চাল উত্তোলন করে সেখানে ২ বস্তা (৬০কেজি) চাল পঁচা হওয়ায় চেয়ারম্যানকে জানালে তিনি চাল পরিবর্তণে অস্বীকৃতি জানান। পরে ট্যাগ অফিসার উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জিন্নাত আরা ইয়াছমিনকে জানানো হয়। তিনি কোন পদক্ষেপ গ্রহন না করেই চাল বিতরণ অব্যাহত রাখেন। এতে দেখা যায় প্রতি উপকারভোগীকে ১-২ বস্তা করে খাওয়ার অনুপযোগী পঁচা চাল বিতরণ করা হলে সেখানে উপস্থিত স্থানীয় জনসাধারণ এর তীব্র প্রতিবাদ জানালেও উক্ত চেয়ারম্যান ও কর্মকর্তা কোন কর্ণপাত করেন নাই। ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদুল হক শাহীন শিকদার বলেন, চাল গোডাউনে থাকার কারণে পঁচে গেছে। আমার কিছু করার নাই। এ ব্যাপারে ট্যাগ অফিসার ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জিন্নাত আরা ইয়াছমিন বলেন বস্তা পঁচা কিন্তু চাল পঁচে নাই । উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এইচ এম মাগফুরুল হাসান আব্বাসীর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, চাল বিতরণে দু‘জন অফিসার দেয়া হয়েছে। পঁচা চাল বিতরণ কেন হবে? বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

Facebook Comments

Check Also

ধেয়ে আসছে শক্তিশালী বজ্রবৃষ্টি “স্পার্ক” – আবহাওয়া অধিদপ্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক: শক্তিশালী বজ্রবৃষ্টি ‘স্পার্ক’ বা ফুলকি ধেয়ে আসছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ফেসবুকে দেয়া তথ্যে …

ভূরুঙ্গামারীতে বিভিন্ন পেশার ১০ জন প্রতিভাবান ব্যক্তির মাঝে পুরুস্কার বিতরণ ও সংবর্ধনা

    অাজিজুল হক, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পাইকেরছড়া ইউনিয়নের আমেরিকান প্রবাসী আজিজুল হাসান এর আয়োজনে সৎ …

প্রধান শিক্ষক রাসেলের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিতঃ হামলাকারীর শাস্তির দাবি

অাজিজুল হক, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর ছিট পাইকেরছড়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তরিকুল ইসলাম …

শিক্ষকই শিক্ষার মেরুদন্ড! তাই এখনই হোক সকল বৈষম্য মুক্ত।

শিক্ষকই শিক্ষার মেরুদন্ড! আমরা সব সময় বলি শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। শিক্ষিত জাতি ছাড়া যেমন দক্ষ জনশক্তি তৈরী করা সম্ভব নয় তেমন শিক্ষিত জাতি ছাড়া উন্নত দেশ ও জাতি গঠনও সম্ভব নয়।উন্নত জাতি গঠনের পূর্ব শর্ত হচ্ছে শিক্ষিত জন শক্তি তৈরী করা। সেটা করতে জাতিকে যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থাই পারে জাতিকে উন্নত ও কাঙ্খিত রাষ্ট্র গঠন করতে। উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা করতে হলে সবার আগে প্রয়োজন দক্ষ ও মেধাবী শিক্ষক। সকল শিক্ষা ব্যবস্থায় যুক্ত করতে হবে দক্ষ ও মেধাবী শিক্ষক।মেধাবী শিক্ষক নিয়োগ করতে না পারলে এক সময় শিক্ষার মান এমন এক স্তরে গিয়ে পৌছাবে,যেখান থেকে এ দেশ তথা জাতিকে উন্নত দেশ গঠনের স্বপ্ন শুধু স্বপ্নই থেকে যাবে সেটা আর কখনো বাস্তবে রুপ লাভ করতে সক্ষম হবে না।যেটা হবে সেটা হচ্ছে এক ভঙ্গুর শিক্ষা ব্যবস্থা। যার ফলশ্রুতি হবে এক হতাশা গ্রস্ত জাতি যে জাতি বিশ্বের দরবারে মাথা নিচু করে কুর্নিশ করবে গোটা বিশ্বকে আর নিজেদের ভাববে এক অসহায় জাতি হিসেবে এবং কলংকিত বোধ করবে জাতি হিসেবে। আসলে আমরা কি সেই কলংকিত জাতি হিসেবে বিশ্ব দরবারে মাথা কুর্নিশ করে থাকতে চাই নাকি বিশ্ব দরবারে নিজেদের মাথা উঁচু করে জাতি হিসেবে অহংকার করতে চাই।সেটা ভাবার সময় এসেছে আর দেরী করা চলবে না।সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে না পারলে ব্যাক্তি হিসেবে যেমন কেউ প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না, তেমনি জাতি হিসোবেও সফল জাতিতে পরিনত হওয়া যায় না।যে জাতি নিজেদের ভাষার জন্য প্রাণ দিতে কুন্ঠিত হয় না, যে জাতি স্বাধীনতার জন্য অকাতরে নিজের জীবন বিলিয়ে দিতে পারে সে জাতি কি আজ এতো সহজে হেরে যেতে পারে? জাতিকে প্রশিক্ষিত করে গড়ে তোলা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালন করবেন রাষ্ট্রের দায়িত্বে নিয়োজিত সকল দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা নেত্রীগণ। শিক্ষিত জাতি গড়ার জন্য দক্ষ ও মেধাবী শিক্ষক নিয়োগ করাও রাষ্ট্রের কর্তব্য।দক্ষ ও মেধাবী শিক্ষক নিয়োগ দিতে সবাগ্রে প্রয়োজন বৈষম্য মুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।আর বৈষম্য মুক্ত শিক্ষ ব্যবস্থা করতে হলে সকল শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ করা অত্যন্ত জরুরী। সকল শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ করতে না পারলে শিক্ষিত ও দক্ষ জনশক্তি তৈরী করা সম্ভব নয়।আর শিক্ষিত ও দক্ষ জনশক্তি তৈরী করতে না পারলে উন্নত জাতি গঠন কখনোই সম্ভব নয়। শিক্ষাই যদি শিক্ষার মেরুদন্ড হয় তাহলে তো শিক্ষকই শিক্ষার মেরুদন্ড!আর সেই শিক্ষকদের অবহেলিত রেখে কি উন্নত জাতি গড়া সম্ভব? নানা অবহেলা,বঞ্চনা,নিপীড়ন,নির্যাতন সহ্য করে কিভাবে একজন শিক্ষক নিজেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে অকাতরে নিজেকে বিলিয়ে দিবেন? আজও একজন শিক্ষকের উৎসব ভাতা সিকি,বাড়ী ভাড়া হাজার টাকা, চিকিৎসা ভাতা ৫০০ টাকা,টিফিন ভাতা,ঝুকি ভাতা, ছেলেমেয়েদের শিক্ষাভাতা থেকে একেবারেই বঞ্চিত!কেনো আজও এতো বৈষম্যের স্বীকার শিক্ষার কারিগররা কি দোষ তাদের? উন্নত জাতি গড়াই যাদের মহান ব্রত,তাদের পরিবার পরিজন বলে কি কিছু থাকতে নাই নাকি থাকে না? এই প্রশ্ন রইলো জাতির বিবেকের নিকট? এই জন্যই কি জাতির জনক দেশ স্বাধীন করেছিলেন? শিক্ষকদের অভুক্ত রেখে কি সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন? জাতির জনকের স্বপ্ন কি আজও পূরণ করার সময় হয়নি? বৈষম্য মুক্ত জাতি গঠনের আর কত দেরী পাঞ্জেরী? তাই আমি বর্তমান সময়ের সুযোগ্য নেত্রী জাতির পিতার তনয়া মাদার অব হিউম্যানিটি খ্যাত দেশনেত্রী শেখ হাসিনাকে বিনীত ভাবে অনুরোধ করবো। স্বাধীন বাংলার সকল বৈষম্য মুক্ত করতে, উন্নত দেশ ও জাতি গঠন করতে, জাতির পিতার স্বপ্ন সত্যি করতে এবং শিক্ষিত জাতি গড়তে ২০১৯/২০ অর্থ বাজেটেই সকল শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণের বাজেট রেখে জাতিকে বৈষম্য মুক্ত করবেন বলেই আমি প্রত্যাশা রাখছি। জয় বাংলা ★★★★★ জয় বঙ্গবন্ধু। লেখক ও কলামিস্ট মোহাম্মদ মোকাররম হোসেন (আপন), সহকারী প্রধান শিক্ষক। ও সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ( নজরুল), চট্টগ্রাম বিভাগ।

Skip to toolbar