২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
রবিবার , ডিসেম্বর ৮ ২০১৯
Breaking News
Home / এমপিও / বদলির দাবিতে আসছে কঠোর কর্মসূচি, একতাবদ্ধ হোন-শিক্ষা খবর।

বদলির দাবিতে আসছে কঠোর কর্মসূচি, একতাবদ্ধ হোন-শিক্ষা খবর।

বদলির দাবিতে আসছে কঠোর আন্দোলন, একতাবদ্ধ হোন।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন (ট্রান্সফার) চালু করার দাবিতে চলছে আন্দোলন ;সরকারের সহিত আলোচনা ও অন্যান্য। প্রানের দাবি বদলি আদায়ে সকল ষড়যন্ত্র উচ্ছেদ করে ২০২০সালের পুর্বে বদলি ব্যবস্থা চালু করার জন্য এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি বাস্তবায়ন কমিটি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দরকার সকলের ঐক্য , ইস্পাত দৃঢ় আন্দোলন ও ত্যাগী মনোভাব। তাই বদলি প্রত্যাশীদের আর ঘরে বসে ফেসবুক লাইক কমেন্ট না করে এগিয়ে আসতে হবে।সকলের প্রচেষ্টা ও অংশগ্রহণ এনে দিবে কাঙখিত সফলতা ও বিজয়।আপনারা এগিয়ে না আসলে সম্ভব নয়।গনবিজ্ঞপ্তির পুর্বে যেকোন মুল্যে বা সরকারের যে কোন শর্তে আমরা বদলি চাই।ইনডেক্সধারীদের জন্য আলাদা সার্কোলার চাই।এমপিও নীতিমালা ২০১৮এর ১০,১২ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে ইনডেক্সধারীদের জন্য মিউচুয়াল ট্রান্সফার বদলি,নীতিমালা অনুসারে বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে বদলি,পিয়ন থেকে প্রধান শিক্ষক, অধ্যক্ষ পর্যন্ত নীতিমালা প্রণয়ন করে বদলি ব্যবস্থা চালু অতীব জরুরী ও গুরুত্বপূর্ণ। এমপিও নীতিমালা, ২০১৮অনুসারে প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন বা বদলি চালুতে মানবতার মা,গণতন্ত্রের মানসকন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রীসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি সবিনয় অনুরোধ করছি।
দ্রুত সময়ের মধ্যে বদলি প্রথা চালুর দাবিতে রাজপথে অনশন, ঘেরাওসহ কঠিন আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। বঙ্গবন্ধুর এই দেশে বৈষম্য থাকতে পারে না,সোনার বাংলা গড়তে হলে অবশ্যই বদলি চালু করতে হবে।জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের শিখিয়ে গেছে কিভাবে ন্যায্য দাবি আদায়ে আন্দোলন করতে হয়।তাই ভয় নেই বদলি প্রত্যাশীদের। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। জয় হোক বেশিকদের,মুক্তি হোক বেসরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা।

সরকার যখনি বদলি ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেন তখনি গুটিকয়েক শিক্ষক ও নামধারী শিক্ষক নেতা বা সংগঠন বদলি ব্যবস্থা চালুর বিরোধিতা করে আসছে। তারা তাদের অসাধু কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সরকারের মহতি উদ্যোগ বদলি ব্যবস্থা যাতে চালু হতে না পারে সে জন্য অপচেষ্টা করেন। সরকারের উচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অব্যবস্থাপনা ও সীমাহীন দুর্নীতি রোধে দ্রুত বদলি প্রজ্ঞাপন ও বাস্তবায়ন করা। বদলি ব্যবস্থা চালু করতে সরকারের কোনো বাজেট বরাদ্দ বা অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হবে না। কোনো ষড়যন্ত্র যেন বদলি বিষয়ক প্রজ্ঞাপন ও নীতিমালা কার্যকরে সরকারকে বাধা দিতে না পারে এটাই ৫ লক্ষ বেসরকারি শিক্ষকদের কামনা।

বেসরকারি শিক্ষকদের ঐচ্ছিক বদলি চালুর যে শিক্ষক বিরোধীতা করবে তার ব্যক্তিগত সমস্যা আছে,হয় কোচিংবাজ নয় শিক্ষা ব্যবসায়ী নয়তো সনদে সমস্যা থাকতে পারে

আসুন সম্প্রতি নেয়া সরকারের মহতি সিদ্ধান্ত ২০২০ সালের শুরুতে অনলাইন /সফটওয়্যার মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষকদের জন্য বদলি ব্যবস্থা চালুর জন্য সহযোগিতা ও অনুরোধ করি।আমরা যারা বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে জড়িত আছি জাতীয়করণ নিয়ে কাজ করেছি, বিভিন্ন আন্দোলন করছি, জাতীয়করণ না হওয়া পর্যন্ত চালিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ। নীতিমালা অনুসারে বদলি ও সরকারের উপস্থিত নীতিগত সিদ্ধান্ত “বদলি” চালু করতে চায়,আমরা এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা না করি।বদলি কখনো জাতীয়করণ পিছাইবে না বরং এগুবে। সকল সংগঠনের বদলি প্রত্যাশিত নেতাকর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের ও সাধারণ শিক্ষক বদলি প্রত্যাশীদের ৬সেপ্টেম্বর প্রেসক্লাবের সামনে বদলির দাবিতে উপস্থিত হওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করেছি। তাতে আপনার সংগঠনের কোন ক্ষতি হবে না।সংগঠন তার নিজ গতিতেই চলবে।এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি বাস্তবায়ন কমিটি হল একটি ঐচ্ছিক দাবি বদলি আদায়ের কমিটি।আলাদা কোন শিক্ষক সংগঠন নয়।এখানে বিভিন্ন সংগঠনের বদলি প্রত্যাশী শিক্ষক ও সাধারণ বদলি প্রত্যাশী শিক্ষকদের সমন্বয় যৌথ কমিটি যা জাতীয়করণ লক্ষে কাজ করা সকল সংগঠনের সহযোগী। নিজে বদলি না হলেও অন্যের দুঃখে সমব্যথী হয়ে দুর থেকেও সমর্থন দেয়া মহৎকর্ম। পরিবার পরিজন বাবা মা স্ত্রী সন্তান রেখে ৫০০/৭০০কিঃমিঃ দুরে যে চাকরি করে তিনি বুঝে কত যন্ত্রণাময় জীবন কাটাচ্ছে আর পরিবারের কি অবস্থা!!!

ধন্যবাদান্তে,
মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম,
সদস্য সচিব,
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি বাস্তবায়ন কমিটি
মোবাইল :০১৯৪৪৩৩৪২১৪

Facebook Comments

Check Also

এমপিওভুক্ত করা হতে পারে তিন হাজার প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ অন্তত তিন হাজার বিভিন্ন ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হতে পারে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে …

বেসরকারী শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের বিষয়টি গনদাবিতে পরিণত হচ্ছেঃ

বেসরকারী শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের বিষয়টি ধীরে গণদাবিতে পরিনত হচ্ছেঃ শিক্ষা জাতীয়করণের বিষয়টি পর্যায়ক্রমে যাদের থেকে দাবী আসছে,তাঁরা হচ্ছেন সাবেক শিক্ষা সচিব ড.এন আই খান,প্রফেসর সিরাজুল হক,ডিসি মহোদয়গণ আগমাী ১৪ ই জুলাই ডিডি সম্মেলনে মাধ্যমিক স্কুল জাতীয়করণের সুপারিশ করবেন ও সর্বশেষ রাজশাহী-৪ (বাঘমারা) আসনের সুযোগ্য এম,পি ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক। আশা করি এভাবেই একে একে সকল শিক্ষাবিদ ,বুদ্ধিজীবি,সাধারণ নাগরিকসহ ও রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব এগিয়ে আসবেন এবং অচিরেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতীয়করণের যথার্থতা উপলব্ধি করে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এক যোগে জাতীয়করণের ঘোষণা দিবেন সেই মহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষা শিক্ষক সম্প্রদায়সহ গোটা জাতি। জয় বাংলা ★★★★★ জয় বঙ্গবন্ধু। মোহাম্মদ মোকাররম হোসেন(আপন) সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি( নজরুল) চট্টগ্রাম বিভাগ।

নবসৃষ্ট পদে নিয়োগের আদেশ জারি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বেসরকারি স্কুল কলেজের এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো অনুসারে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত ১৬টি পদে নিয়োগের …

পাল্টে যাচ্ছে শিক্ষাক্রম

দৈনিকশিক্ষাখবর ডেস্কঃ শিক্ষাক্রমে আবারো পরিবর্তন আসছে। প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত চলমান শিক্ষাক্রমের ভুলত্রুটি সংশোধন, …