৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার , মে ২৩ ২০১৯
Breaking News
Home / জাতীয় / জাতীয় দূর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত
bdr

জাতীয় দূর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত

মোয়াজ্জেম হোসেনঃ দূর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি হ্রাস করবে জীবন ও সম্পদের ঝুঁকি- এ প্রতিপাদ্যের আলোকে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা প্রশাসন ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির আয়োজনে এবং কোস্ট ট্রাস্ট ও জলবায়ু ফোরাম এর সহযোগিতায় পালিত হয়েছে দূর্যোগ প্রস্তুতি দিবস। দিবসটি উপলক্ষ্যে ব্যানার, ফেস্টুনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যম কর্মীদের সমন্বয়ে এ বর্ণাঢ্য র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালীটি গলাচিপা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদের সামনে এসে শেষ হয়। র‌্যালি শেষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) সুহৃদ ছালেহীন। বক্তব্য রাখেন মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. গোলাম মোস্তফা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তপন কুমার ঘোষ, উপজেলা সিপিপি সহকারি পচিালক এসএম মাহতাবুল বারী ও গলাচিপা প্রেসক্লাব সভাপতি খালিদ হোসেন মিলটন প্রমুখ। এছাড়াও কোস্ট ট্রাস্ট পটুয়াখালী জেলা প্রোগ্রাম অফিসার পিন্টু বিশ্বাস ও জলবায়ু ফোরাম, গলাচিপা উপজেলার সভাপতি গাজী মোস্তফা কামাল ও সিএইচডিপি নির্বাহী পরিচালক রিনা বেগম অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সভায় দূর্যোগ মোকাবেলায় জনপদের মানুষকে সচেতন করার লক্ষ্যে এবং দূযোর্গ মোকাবেলায় দূর্যোগের পূর্বে এবং দূযোর্গ চলাকালীন সময়ে মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষায় ও প্রাণী সম্পদকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়ার জন্য বক্তারা দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। আলোচনা শেষে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও রচণা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। ##মোয়াজ্জেম হোসেনপটুয়াখালী১০/০৩/২০১৯ইং 

Check Also

ঘূর্ণিঝড় ‘ফনি’ মোকাবেলায় বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে।

বিশেষ প্রতিবেদকঃ ঘূর্ণিঝড় ‘ফনি’ মোকাবেলায় বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে। ভারতের উপকূলে ঘূর্ণিঝড় ‘ফনি’ আঘাত হানার পর …

বৈষম্যের পাহাড়ে চাপা এম,পি,ও ভুক্ত শিক্ষকরা:

বৈষম্যের পাহাড়ে চাপা এম,পি,ও ভুক্ত শিক্ষকরা! বেসরকারী শিক্ষকদের মুক্তি যে সহজে হবার নয় তা বলার আর অবকাশ নাই।সারা দিন, সারা বছর লিখতে থাকলেও তাদের বৈষম্য লিখা শেষ হবার নয়। তবুও লিখতে যখন শুরু করছি অন্তত কয়েকটি বৈষম্য তুলে ধরার প্রয়াস করছি, যদি কখনো,কোনো একদিন রাষ্টের কর্ণধরদের কারো দৃষ্টি গোচর হয়। প্রথমেই সর্বশেষ ঘোষিত পে-স্কেল দিয়ে শুরু করি।সর্বশেষ ঘোষিত পে-স্কেলে বেসরকারী শিক্ষদের সম্পূর্ণরুপে বঞ্চিত করার অপ্রয়াস ও নেহায়েত কম ছিলো না।দীর্ঘ আন্দোলনের আট মাস পরে বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীরা পে-স্কেলের অন্তর্ভুক্ত হয়। পে-স্কেলে ঘোষিত বার্ষিক ৫% প্রবৃদ্ধি কার্যকর হয় জুলাই/২০১৬ থেকে শুধু বঞ্চিত থেকে যায় বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীরা।দীর্ঘ দুই বছর সংগ্রাম করে ২০১৮ সালে অর্জিত হয় আকাঙ্ক্ষিত বার্ষিক প্রবৃদ্ধি।যার বিগত দুই বছরের বকেয়া বাদ দিয়ে কার্যকর করা হলো। এর পরে ঘোষিত হলো প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য বৈশাখী ভাতা/২০১৭ থেকে। সেখানেও বঞ্চিত করা হলো বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীদেরকে।এবারেও দুই বছর আন্দোলন,সংগ্রাম করে ২০১৯ সালে বৈশাখী ভাতার মুখ দেখতে পায় বেসরকারীরা তাও আবার বৈশাখের এক সপ্তাহ পরে এবং বিগত দুই বছেরর বকেয়া বাদ দিয়েই। ২০১৮ সালে ৫% বার্ষিক প্রবৃদ্ধি দেওয়ার আট মাস পরেই আবার অবসর কল্যানের নাম করে বেসরকারী দের অনুদান থেকে অতিরিক্ত ৪% কর্তনও করে নেওয়া হয়। যার ফলে দেখা যায় তাদের বেতন ভাতা আগের জায়গায় রয়ে যায়।প্রবৃদ্ধি ঘোষিত হলেও প্রকৃত পক্ষে তারা সুবিধা বঞ্চিত হলো ৪% কর্তনের মাধ্যমে। এর পরে টাইমস্কেল থেকে বঞ্চিত করা হলো হাজার হাজার বেসরকারীদের। যার ফলে বড় ধরনের বৈষম্যের স্বীকার হতে হলো নিরীহ টাইমস্কেল বঞ্চিতদের।এছাড়া পদন্নতিতে আনা হলো ব্যাপক পরিবর্তন যে কারনে অনেকে আইনের বেড়াজালে আটকা পড়লো পদন্নতি নামক সোনার হরিণ থেকে। এর পরে বলবো বাড়ি ভাড়ার কথা বেসরকারী শিক্ষক- কর্মচারী সবাই বাড়ি ভাড়া পান মাত্র এক হাজার টাকা।যেখানে প্রতিষ্ঠান প্রধান থেকে শুরু করে ঝাড়ুদার পর্যন্ত সবাই সমান।হাজার টাকায় বাড়িভাড়া এ দেশের কোথায়ও আছে বলে অন্তত আমার জানা নাই। আমিও আমার এলাকা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে একটা বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে চাকরী করছি। যেখানে বাড়ি ভাড়া বাবদ প্রতিমাসে গুনতে হয় কম পক্ষে ৮/ ১০ হাজার টাকা।এছাড়া বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীরা সবাই চিকিৎসা ভাতা পায় ৫০০ টাকা। এছাড়াও আরো অনেক বৈষম্য লিখা যাবে, তবে আজ আর লিখলাম না। বাঁকী বৈষম্য গুলো না হয় আর একদিন তুলে ধরার চেষ্টা করবো। আজ যে বৈষম্য গুলো তুলে ধরেছি এতো গুলো বৈষম্য বুকে নিয়ে একজন শিক্ষক কি করে আশানুরুপ পাঠদান করবেন সে কথা আমি এ দেশের বিশিষ্ট জনদের উপরেই ছেড়ে দিলাম।আমাদেরও তো পরিবার পরিজন আছে, তাদেরকেও তো ভরনপোষণের দায়িত্ব আমাদেরকেই নিতে হয়। এ পর্যন্ত শিক্ষকরা যা পেয়েছে তা আন্দোলনের মাধ্যমেই পেয়েছে।এ থেকেই বোঝা যায় আগামী দিনেও আন্দোলন ছাড়া কিছু আদায় করা মনে হয় অত্যন্ত কষ্টকর। তার পরেও আমি বলবো বর্তমান শিক্ষাবান্ধব সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী শেখ হাসিনা উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো বিবেচনা করে সকল বেসরকারী শিক্ষা ব্যবস্থা এক যোগে জাতীয়করণের ঘোষনা দিয়ে শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করে পুরো শিক্ষক সমাজকে কৃতজ্ঞতা পাশে আবদ্ধ করবেন। জয় বাংলা জয়বঙ্গু বন্ধু। মোহাম্মদ মোকাররম হোসেন (আপন)। সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি, চট্টগ্রাম বিভাগ।

কে হচ্ছেন এমপি? জোবাইদা না শর্মিলা

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ৬টি আসন পেয়েছে। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের জাহিদুর রহমান ২৫ …

ভয়ঙ্কর হারিকেনে পরিণত হয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’

ঘণ্টায় ১৬ কিলোমিটার গতিতে উড়িষ্যা উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এ ঘূর্ণিঝড় আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.

five × four =