Tue. Jan 28th, 2020

দৈনিক শিক্ষা খবর

অদৃশ্য কারণে কার্য্যকর হয়নি ২০০৬ সালের জাতীয়করণের আদেশ!

অদৃশ্য কারণে কার্যকর হয়নি ২০০৬সালের জাতীয়করণের আদেশ! ২০০৬ সালে অর্থমন্ত্রণালয় বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতার ১০০ ভাগ রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে প্রদানের নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। যার পত্রের স্মারক নং অম/অবি/বাশা-২/৩-২৫৪০(বেঃসঃশিঃপ্র)/২০০৬। উল্লেখিত সিদ্ধান্তের আলোকে শিক্ষা মন্ত্রনালয় এই প্রজ্ঞাপনটি জারি করে যার স্মারক নং- শিমশাঃ ৩/১জি- ৫/২০০৩/৯৭৭ তারিখ ৩১/১০/২০০৬ খ্রিঃ। উক্ত স্মারকের আলোকে অর্থমন্ত্রণালয় নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের অনুদান সহায়তার পরিবর্তে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকেই শতভাগ বেতন-ভাতা প্রদান করা হবে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আয় রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে হবে। এমনি একটি মহৎ উদ্যোগকে বিনষ্ট করতে উঠেপড়ে লাগে একশ্রেণীর স্বার্থান্বেষী মহল এবং তাঁরা সফলতা অর্জন করে। যার ফলশ্রুতিতে দীর্ঘ ১৩ বছরেও জারিকৃত প্রজ্ঞাপনটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী ফোরাম বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সমাবেশে হিসেব করে দেখিয়েছে, প্রতিষ্ঠানের আয় রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা নিয়ে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করেও সরকারের উদ্বৃত্ত থাকে। অথচ অর্থমন্ত্রণালয় ২০০৬ সালেই জাতীয়করণের উদ্যোগ নিয়েছিলো। উক্ত প্রজ্ঞাপনটি বাস্তবায়ন করা না হলেও একজন আমলার খামখেয়ালিপনায় বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের প্রবল আপত্তি সত্ত্বেও অবসর কল্যাণ ট্রাস্টের অতিরিক্ত কর্তনের প্রজ্ঞাপনটি অন্যায়ভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। পরিশেষ বক্তব্য অবিলম্বে ৩১/১০/২০০৬ তারিখের জারিকৃত প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়ন করতে হবে। বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণে ষড়যন্ত্রকারীরা ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারীদের কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে, ইনশাআল্লাহ। সংগৃহীত।

অদৃশ্য কারণে কার্যকর হয়নি ২০০৬সালের জাতীয়করণের আদেশ!

২০০৬ সালে অর্থমন্ত্রণালয় বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতার ১০০ ভাগ রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে প্রদানের নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। যার পত্রের স্মারক নং অম/অবি/বাশা-২/৩-২৫৪০(বেঃসঃশিঃপ্র)/২০০৬। উল্লেখিত সিদ্ধান্তের আলোকে শিক্ষা মন্ত্রনালয় এই প্রজ্ঞাপনটি জারি করে যার স্মারক নং- শিমশাঃ ৩/১জি- ৫/২০০৩/৯৭৭ তারিখ ৩১/১০/২০০৬ খ্রিঃ।

উক্ত স্মারকের আলোকে অর্থমন্ত্রণালয় নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের অনুদান সহায়তার পরিবর্তে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকেই শতভাগ বেতন-ভাতা প্রদান করা হবে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আয় রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে হবে। এমনি একটি মহৎ উদ্যোগকে বিনষ্ট করতে উঠেপড়ে লাগে একশ্রেণীর স্বার্থান্বেষী মহল এবং তাঁরা সফলতা অর্জন করে। যার ফলশ্রুতিতে দীর্ঘ ১৩ বছরেও জারিকৃত প্রজ্ঞাপনটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী ফোরাম বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সমাবেশে হিসেব করে দেখিয়েছে, প্রতিষ্ঠানের আয় রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা নিয়ে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করেও সরকারের উদ্বৃত্ত থাকে। অথচ অর্থমন্ত্রণালয় ২০০৬ সালেই জাতীয়করণের উদ্যোগ নিয়েছিলো। উক্ত প্রজ্ঞাপনটি বাস্তবায়ন করা না হলেও একজন আমলার খামখেয়ালিপনায় বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের প্রবল আপত্তি সত্ত্বেও অবসর কল্যাণ ট্রাস্টের অতিরিক্ত কর্তনের প্রজ্ঞাপনটি অন্যায়ভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
পরিশেষ বক্তব্য অবিলম্বে ৩১/১০/২০০৬ তারিখের জারিকৃত প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়ন করতে হবে। বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণে ষড়যন্ত্রকারীরা ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারীদের কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে, ইনশাআল্লাহ।

সংগৃহীত।