৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার , মে ২৩ ২০১৯
Breaking News

জাতীয়করণের যত সুবিধা:

জাতীয়করণের যত সুবিধা : বেসরকারী সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারী করা হলে কে লাভবান হবেন আর কে ক্ষতি গ্রস্ত হবে তা তুলে ধরার প্রয়াস করছি মাত্র।সরকারী করা হলে আমার মতে শতভাগই সুবিধা।নিম্ন তা তুলে ধরলাম! ★দরিদ্র জনগোষ্ঠির মধ্যে লেখা পড়ার প্রবনতা বৃদ্ধি পাবে। ★দরিদ্র শিক্ষার্থীদের ঝরে পরা বন্ধ হবে। ★দরিদ্র জনগোষ্ঠির উচ্চ শিক্ষার দ্বার উন্মোচিত হবে। ★সরকার ঘোষিত গ্রাম অঞ্চল শহরে রুপান্তর করার কাজ শতভাগ সম্পন্ন হবে। ★সামগ্রিক উচ্চ শিক্ষার হার বৃদ্ধি পাবে। ★দরিদ্র জনগোষ্ঠি অর্থনৈতিক ভাবে উপকৃত হবে। ★ধ্বনি দরিদ্রের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য দূর হবে। ★শিক্ষাক্ষেত্রে বিরাজমান সকল বৈষম্যের অবসান হবে ★প্রতিষ্ঠানে উপযুক্ত লেখা-পড়া উপযোগী পরিবেশ তৈরী হবে। ★বেসরকারী শিক্ষকরা অর্থনৈতিক মুক্তি পাবে। ★ শিক্ষকরা পাঠদানে আন্তরীক হবে। ★বেসরকারী শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি পাব। ★দেশ শিক্ষিত জন শক্তিতে রুপান্তরিত হবে। ★উন্নত রাষ্ট্র বিনির্মানের কাজ সহজ সাধ্য হবে। ★শিক্ষিত জনগোষ্ঠী রাষ্ট্রের সহায়ক শক্তি অর্জনে ভূমিকা রাখবে। ★বিশ্বের দরবার জাতি হিসবে বাংলাদেশীরা মাথা উঁচু করে বাঁচতে পারবে। ★দরিদ্র মুক্ত দেশ গঠিত হবে। ★সরকারের প্রতি দেশের প্রতিটি নাগরিকের আস্থা বাড়বে। ★মেধাবীরা শিক্ষকতা পেশায় আসতে আগ্রহী হবে, ফলে শিক্ষার মানন্নোয়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখনে। ★শিক্ষকদের উপর ম্যানেজিং কমিটির নিপীড়ন, নির্যাতন বন্ধ হবে। ★স্থানীয় ম্যানেজিং কমিটির দৌরাত্মতা কমবে। ★স্থানীয় উৎশৃঙ্খল বখাটেদের থেকে শিক্ষার্থী নির্যাতন, নিপীড়ন ও হ্রাস পাবে। ★দরিদ্র অভিভাবকের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসবে। ★শহর ও গ্রামের বৈষম্যের অবসান হবে। ★ফলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মানে শতভাগ সফলতা আসবে। ★সকল বেসরকারী প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের মাধ্যমেই দেশের বিরাজমান সকল বৈষম্য দূর হবে এবং জাতি ও দেশ উন্নতির চরম শিখরে আরোহণ করবে। ★জাতির জনকের অপূরণীয় স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে। ★তাই বলা যায় জাতীয়করণ শুধু শিক্ষকদের স্বার্থে নয় গোটা জাতি ও দেশের স্বার্থেই বেশি প্রয়োজন। ★সর্বোপরি মানুষের প্রধান একটি মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। অতএব,উপরের বিষয়গুলো বিবেচনা পূর্বক,সকল বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আগামী ২০১৯/২০ অর্থ বাজেটেই জাতীয়করণের ঘোষনা দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উন্নত দেশ ও জাতি গঠনের পরিকল্পনা শতভাগ পূরণ করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। জয় বাংলা ★★★★ জয় বঙ্গবন্ধু। মোহাম্মদ মোকাররম হোসেন(আপন), সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি( নজরুল)। চট্টগ্রাম বিভাগ।

Read More »

এম,পি,ও ভুক্ত শিক্ষকেরা বৈষম্যহীন শিক্ষা ব্যবস্থা চায়!

"এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা বৈষম্যহীন শিক্ষা ব্যবস্থা চায়"। শিক্ষকতা একটি মহান পেশা হিসেবে স্বীকৃত। যে পেশাকে মনে করা হয় সমাজের সবচেয়ে মর্যাদার, সবচেয়ে গৌরবের।যুগে যুগে অনেক মহান ব্যক্তি এই পেশাকে গ্রহণ করে নিজেরা যেমন গৌরবান্বিতবোধ করেছেন।তেমনি তাদের জ্ঞানের আলোয় সমাজকে, দেশকে আলোকিত করেছেন। ধারনা করা হয় এই পেশাতে অনেক ক্ষেত্রে বৈষয়িক লাভ,বস্তুগত সমৃদ্ধি না থাকলেও মানসিক প্রশান্তি,নিরাপত্তা, স্বাধীনতা এবং সবচেয়ে বড় যে বিষয়টি তাহলো গৌরবময় জীবন যাপনের নিশ্চয়তা থাকে। আর যারা এ ধরনের জীবনকে পছন্দ করেন। তারা শিক্ষকতার মতো মহান পেশাকে বেছে নিতে দ্বিধা করেন না।বিত্ত না থাকলে ও চিত্ত আছে,কিংবা পেটের ক্ষুধা না মিটলে ও হয়তো মনের ক্ষুধা, সম্মানের ক্ষুধা মিটবে এ আশায়। শিক্ষকদের আলাদা একটা উচ্চ মর্যাদার আসন নির্ধারিত থাকে সর্বক্ষেত্র। শিক্ষার্থীদের কাছে, অভিভাবকের কাছে,এমনকি যাদের শিক্ষার সাথে, শিক্ষকের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই এরুপ খেটে খাওয়া সাধারন মানুষের কাছে ও শিক্ষক পূজনীয়, নমস্য। সে কারনে বলা হয় একজন শিক্ষকের সবচেয়ে বড় এবং একমাত্র সম্বল,একমাত্র পুঁজি তার মর্যাদা, সম্মান। কিন্তু আদৌ কি আমাদের দেশে শিক্ষকেরা সম্মান ব্যাতীত,তেমন কোনো সুযোগ সুবিধা পায়? উত্তরে বলবো না।কারন যেখানে শিক্ষকদের বেতন এমনিতেই কম সেখানে ৫% ইনক্রিমেন্ট দিয়ে অতিরিক্ত ৪% কর্তন শিক্ষকদের পেটে লাথি মারার সমতুল্য।আর তাছাড়া শিক্ষক সমাজকে যে বাড়িভাড়া,চিকিৎসা ভাতা ও ঈদ বোনাস দেওয়া হয়।তা লবন আনতে পানতা ফুরানোর মত অবস্তা। যা সরকারী শিক্ষকদের তুলনায় অনেক বৈষম্য। তবে উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থ্যা ও মান সম্পন্ন জনশক্তি ছাড়া সমৃদ্ধ ও উন্নত দেশ গড়া সম্ভব নয়।বলা হয়ে থাকে শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। আর শিক্ষার মেরুদন্ড হচ্ছ শিক্ষক।দেশের ৯৭% শিক্ষার্থীকে শিক্ষিত করে তোলার দায়িত্ব বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের হাতে ন্যাস্ত।আর সেই শিক্ষকের অর্থনৈতিক মুক্তি আজ ও আসে নাই।তাই পরিশেষে বলবো শিক্ষকদের মান সম্মত জীবন মান প্রদান করতে ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হলে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দ্রুত জাতীয়করণ সহ বেতন থেকে অতিরিক্ত ৪% কর্তন বন্ধের জোর দাবি জানাই। অন্যথায় দক্ষ জনশক্তিহীন আগামী প্রজন্ম অন্ধকারে তলিয়ে যাবে। ধন্যবাদান্তে, মোঃ আজাদ (সহ-গনসংযোগ সম্পাদক)। বাশিস (কেন্দ্রীয় কমিটি) নজরুল। গুথুমা কেবিএ আজিজ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়।

Read More »

সুখবর-নিবন্ধিতদের চাকুরি পেতে বয়সের বাধা থাকবে না- হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ২০১৮ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এমপিও নীতিমালা প্রকাশ করে ৩৫+ নিবন্ধিত শিক্ষকদের বয়সের ফ্রেমে আটকিয়ে দেয়। এ নীতিমালার কারণে ৩৫+ নিবন্ধিত শিক্ষকগণ ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ntrca প্রকাশিত গন বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করতে পারেন নি। এর ৩৫+ নিবন্ধিত শিক্ষকগণ ক্ষুপ্ত হয়ে হাই কোর্টের দারস্ত হোন। তারা হাই কোর্টে গ্রুপ করে কয়েকটি …

Read More »

শিক্ষার্থীদের নূন্যতম শাস্তির বিধান থাকা উচিৎ!

মোহাম্মদ মোকাররম হোসেনঃ বর্তমানসময়ে আমাদের দেশের বিভিন্ন জায়গায় শিক্ষার্থী কতৃক শিক্ষক লাঞ্ছিত হওয়ার প্রবনতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এটা থেকে পরিত্রানের পথ না খুজলে অদূর ভবিষ্যতে শিক্ষা ক্ষেত্রে বিরাজমান নৈরাজ্য চরম আকার ধারণ করবে,এবং জাতি এক সময় শিক্ষক সংকটে পরবে।এ পেশার প্রতি এখন বিভিন্ন কারনে মেধাবীরা অনিহা প্রকাশ করতে শুরু …

Read More »

১৫ তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলি পাস করেছেন তাদের করণীয় বিস্তারিত:

যারা ১৫ তম শিক্ষক নিবন্ধন প্রিলি পাস করেছেন তাদের করণীয় কি? বিস্তারিত জানুন লিখিত পরীক্ষার জন্য কি কি কাগজপত্র পাঠাতে হবে সেই সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য : ১৫ তম শিক্ষক নিবন্ধনে যারা প্রিলিতে উত্তীর্ণ সবাইকে জানাচ্ছি আন্তরিক অভিনন্দন। আপনারা সবাই জানেন যে, #লিখিত পরীক্ষা হবে : স্কুল ও স্কুল ২ঃ ২৬ …

Read More »

শিক্ষক লাঞ্ছিত হওয়ার কারণ ও প্রতিকার।

শিক্ষার্থীদের নূন্যতম শাস্তির বিধান থাকা উচিৎ! বর্তমান সময়ে আমাদের দেশের বিভিন্ন জায়গায় শিক্ষার্থী কতৃক শিক্ষক লাঞ্ছিত হওয়ার প্রবনতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এটা থেকে পরিত্রানের পথ না খুজলে অদূর ভবিষ্যতে শিক্ষা ক্ষেত্রে বিরাজমান নৈরাজ্য চরম আকার ধারণ করবে,এবং জাতি এক সময় শিক্ষক সংকটে পরবে।এ পেশার প্রতি এখন বিভিন্ন কারনে মেধাবীরা অনিহা প্রকাশ করতে শুরু করেছে তার পর আবার শিক্ষক লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনা প্রকট আকার ধারন করেছে। শিক্ষক লাঞ্ছিত হওয়ার পিছনে অনেক কারন আমরা দেখতে পাচ্ছি। তবে তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য কয়েকটি কারন আমি তুলে ধরার চেষ্টা করছি।প্রথমেই আমি বলবো বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার নীতিমালা শুধু মাত্র শিক্ষার্থী কেন্দ্রীক। সব ধরনের সুযোগ সুবিধা শিক্ষার্থীকে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষক রক্ষার কোনো নীতিমালা নাই।শিক্ষার্থীদেরকে নূন্যতম শাসন ব্যবস্থা পর্যন্ত আজ তুলে দোওয়া হয়েছে,শিক্ষার্থীদের দৈহিক শাস্তি তো দেওয়াই যাবে না,এমন কি কোনো কথার মাধ্যমেও তাদেরকে শাসন করারও সুযোগ নাই। যদি এই হয় অবস্থা, তাহলে ঐসব শিক্ষার্থীর আর ভাবনা কি? তারা তাদের মত চলে, পড়া লেখারও কোনো প্রয়োজন নাই। তাদের ইচ্ছের জয় হয়েছে আর বৃদ্ধি পেয়েছে শিক্ষক লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটান।শিক্ষক নিরাপত্তার কোনো নীতিমালা তৈরী হয় না শুধু শিক্ষার্থীকে সন্ত্রাসী বানানোর নীতিমালা তৈরী হয়। সে দেশে শিক্ষক লাঞ্ছিত হবে না কেনো? এছাড়া বর্তমান পাবলিক পরীক্ষাতে পাশের সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে, কাম্য সংখ্যক পরীক্ষার্থী পাশ না করলে MPO বাতিল করা হয়।যার ফলে শিক্ষার্থী থেকে বেশি ভাবনা এখন শিক্ষকদেরই ভাবতে হয়।এই কারণে শিক্ষকদের পাশ করানোর জন্য বিভিন্ন ভাবনা ভাবতে হয়।তখন আর সৎ এবং অসৎ সেই চিন্তা না করে পরীক্ষার্থীদের পাশ করানোর নানা উপায় খুঁজতে হয়।যার ফলশ্রুতি আজকের শিক্ষক লাঞ্ছনা বৃদ্ধি।শিক্ষার্থীরা ধরেই নিয়েছে পাশ করানোর সম্পূর্ণ দায়িত্ব শুধুই শিক্ষকদের, তাদের কোনো দায়বদ্ধতা বা অধ্যবসায় কোনটি এখন আর তাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। এছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশেষ করে মাধ্যমিক স্তরে ছাত্র সংসদ নির্বাচন, যা র কারণেও শিক্ষককে লাঞ্ছিত হতে হয়। আবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটি প্রথার কারণে লাঞ্ছিত হচ্ছে শিক্ষক।শিক্ষকদেরকে যারা পরিচালিত করে তাদের বেশির ভাগই মাধ্যমিকের গন্ডি পেরুতে পারেনি।তারা শিক্ষকদের লাঞ্ছিত ছাড়া কি বা করতে পারে? এছাড়া আরো বেশ কিছু কারণ আছে। তবে আমি মনে করি উপরে উল্লেখিত কারণ গুলোই শিক্ষক লাঞ্ছিত হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ।তাই আমি মাননীয় কতৃপক্ষকে দৃষ্টি আকর্ষন করে বলছি অতিদ্রুত উক্ত সমস্যা গুলোর সমাধান করে বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের নূন্যতম শাসন ব্যবস্থার নীতিমালা করে শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষক সুরক্ষায় বিশেষ ভূমিকা পালন করবেন। মোহাম্মদ মোকাররম হোসেন (আপন)। সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি, চট্টগ্রাম বিভাগ।

Read More »

মসজিদের হুজুরদের সরকারি বেতন দিতে হবে – ডাঃদীপু মনি

মসজিদের হুজুরদের যা বেতন তাতে রাতে যে মুসল্লিদের ঘরে চুরি করতে যায় না এটাই তো অস্টাশ্চার্য বিষয়…!  ৩য় শ্রেনীর বাচ্চারে প্রাইভেট পড়াবে ৫০০০ টাকা দিয়া মাসে ১৬দিন ১:৩০ ঘন্টা। আর হুজুরে মাসে ৫বেলা নামাজ পড়াইবে তারে দেবে চৌদ্দগুষ্ঠি মিলে মাত্র ৩৫০০ টাকা! মাসে ৫০০০ টাকার বিড়ি খাইয়া হুজুরের বেতন ৫০ …

Read More »

জুলাই থেকে বেতন পাবেন নতুন এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইদুল ফিতরের পর প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির চূড়ান্ত তালিকা যে কোনো দিন প্রকাশ করা হতে পারে। আর আসছে জুলাই মাস থেকে বেতন-ভাতা পাবেন নতুন এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে এ তথ্য। ২০১০ খ্রিষ্টাব্দে সর্বশেষ এক হাজার ৬২৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করেছিল সরকার। এর পর থেকে সেই …

Read More »

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে এগিয়ে যাচ্ছে জোটভুক্ত সংগঠন “এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমন্বয়ক কমিটি “

বেসরকারি  শিক্ষক ও শিক্ষা ব্যবস্থা সীমাহীন বৈষম্যের দূরীকরণে একদফা দাবি জাতীয়করণ দাবিতে দলমত নির্বিশেষে একত্রিত হয়ে দাবি আদায়ের দৃঢ় প্রত্যয়ে এগিয়ে যাচ্ছে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমন্বয়ক কমিটি। জাতীয়করণ এখন শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক তথা সকল শেণীর জনমানুষের গণদাবি।তাই এখানে সকল পেশাজীবিদের একত্রিত করা জরুরি। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযোদ্ধা …

Read More »

১৫তম নিবন্ধনের প্রিলিমিনারির ফল প্রকাশ, পাসের হার ২০.৫৩ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারিতে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ লাখ ৫২ হাজার পরীক্ষার্থী। পাসের হার ২০ দশমিক ৫৩ শতাংশ ভাগ। আজ রোববার (১৯ মে) ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এনটিআরসিএ সূত্র দৈনিক শিক্ষাকে এ তথ্য জানিয়েছে।  নির্ধারিত ওয়েব সাইটে (http://ntrca.teletalk.com.bd/result/) ফল প্রকাশ করা হয়েছে। …

Read More »

১৮ মে ঢাকা হোটেলে বিকাল ৪ঃ৩০ ঘটিকায় বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (নজরুল) ও লিয়াজো ফোরামের যৌথ উদ্যোগে এক সংবাদ সম্মেলন ও ইফতার পার্টি

সিরাজুল ইসলামঃ ১৮ মে ঢাকা হোটেলে বিকাল ৪ঃ৩০ ঘটিকায় বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (নজরুল) ও লিয়াজো ফোরামের  যৌথ উদ্যোগে এক সংবাদ সম্মেলন ও ইফতার পার্টি অনুষ্ঠিত হয়।বৃহত্তর জোট গঠন হয়েছে। শিক্ষক দরদী সংগঠনগুলো একাত্মতা ও ঐক্য গঠনে এগিয়ে আসায় অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। কর্তন বন্ধ, ঈদ বোনাস বৃদ্ধি, ৫০% বাড়ি ভাড়া, এনটিআরসি …

Read More »

এমপিওভুক্ত হবে ১০ হাজার ৮৫ শিক্ষক- মাউশি

নিজস্ব প্রতিবেদক : এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন নিয়োগ পাওয়া ১০ হাজার ৮৫ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত হয়েছে। এদের মধ্যে স্থুল কলেজের  ৬ হাজার ৫৭৬ জন এবং মাদরাসার ৩ হাজার ৫০৯ জন শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন। তারা অনলাইনে ও অফলাইনে এমপিওর আবেদন করেছিলেন। শনিবার (১৮ মে) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত কমিটির নিয়মিত সভায় এ …

Read More »

প্রাইমারি সহকারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার চুড়ান্ত সাজেশন্স

পরীক্ষার জন্য বিগত সালে আসা বাছাইকৃত ১২৫০টি প্রশ্নোত্তর থেকে আজ ১০০টি রিভিশন দেন…. বাংলা–সাহিত্য ০১) কপালকুণ্ডলা(১৮৬৬) যে প্রকৃতির রচনা? __রোমান্সধর্মী উপন্যাস (নায়ক নবকুমার ও কপালকুণ্ডলা) ০২) তুমি অধম তাই বলে আমি উত্তম হইবো না কেন? __বঙ্কিমচন্দ্রের কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের উক্তি। ০৩) স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’কবিতাটির রচয়িতা কে? __নির্মেলেন্দু গুণ …

Read More »

ক্যান্সারের জীবাণু ধ্বংস করে ‘রোজা’: জাপানি গবেষক

রোজা হলো অটোফেজি, যা ক্যান্সারের জীবাণু ধ্বংস করতে পারে। মুসলিম সম্প্রদায়ে যা রোজা নামে পরিচিত তা বিজ্ঞানের ভাষায় ‘অটোফেজি’। রোজার উপর গবেষণা করে জাপানি গবেষক ওশিনরি ওসুমি ২০১৬ সালে ‘অটোফেজি’ নামক একটি শারীরিক প্রক্রিয়ার আবিষ্কার করেন এবং নোবেল পুরস্কার পান। অটোফেজি শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ অটো ও ফাজেইন থেকে। বাংলায় …

Read More »

আগামি কাল ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের ফল প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রস্তুত করে রেখেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সম্মতি দিলেই এই ফল প্রকাশ করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এনটিআরসিএ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বৃহস্পতিবার এনটিআরসিএ সূত্র জানিয়েছে, ফলাফলে কোন ত্রুটি বিচ্যুতি আছে কি না তা শেষবারের …

Read More »

বেসরকারী শিক্ষা উপযোগী বাজেট চাই!

বেসরকারী শিক্ষা জাতীয়করণ উপযোগী বাজেট চাই! শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি স্বাধীন বাংলার স্থপতি,হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানকে। যার জন্ম না হলে আজ ও এদেশের মানুষ স্বাধীন ভাবে চলতে পারতো না।তাই আমি নিজেকে গর্বিত মনে করি, এই জন্য যে আমি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার একজন নাগরিক। এ দেশ আজ উন্নয়নশীল দেশ হতে উন্নত দেশে পরিণত হবার দ্বার প্রান্তে। এ দেশ আজ স্ব-গৌরবে মাথা উঁচু করে বিশ্বদরবারে নিজেদেরকে অধিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে।দক্ষ নেতৃত্বে এ দেশ এখন শুধু সোনার বাংলার রুপকার, জাতির জনকের সকল স্বপ্ন একে একে বাস্তবায়ন করে চলেছেন।এখন পিছনে ফেরার সময় নাই, যুগের সাথে তাল মিলিয়ে দূর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে আমাদের প্রাণপ্রিয়ো মাতৃভূমি।আর এসব সম্ভব করছেন মাদার অব হিউম্যানেটি খ্যাত, সময়ের সাহসী নেত্রী, মাননীয় প্রধান মন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা।তাই তাঁর প্রতি রইলো আমার গভীর ভালোবাসা ও বিনম্র শ্রদ্ধা। আজ জাতির ভাগ্যাকাশে নতুন দিগন্ত সূচিত হতে চলেছে বহুবিধ উন্নয়ন কর্ম-কান্ডের মাধ্যমে। নিজেদের অর্থায়নে পদ্মা সেতুর মতো বৃহত্তর কাজেও কারও সাহায্যের প্রয়োজন হয় না।এ জাতি আজ মহাকাশ জয়ের নেশায় মত্ত,তাই মহাকাশে স্যাটেলাইট প্রেরণ করাও মামুলি ব্যাপার মাত্র। এতো সব অর্জনের পরেও কোথায় ও যেনো একটু ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়।হাজার মণ দুধের মধ্যে যদি এক ফোঁটা গো-মুত্র পরে তাহলে সে দুধ আর আদর্শ খাদ্য থাকে না। ঠিক সেই রকমই আমাদের এতো উন্নয়নের পরেও বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা পরিপূর্ণতা পায়নি। জাতির জনকের একটা মৌলিক স্বপ্ন আজও কেনো বাস্তবায়িত হলো না? কোনো দেশ বা জাতি উন্নতির প্রথম শর্ত সেই দেশের সু-শৃঙ্খল এবং সময়োপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।আর যেটা স্বাধীনতার ৪৮ বছরেও সম্ভব হয়নি।যে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা যত উন্নত সে দেশ তত উন্নত। এই সহজ বিষয়টা বুঝতে এখনো কেনো সমস্যা হচ্ছে? পরিপক্ক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করা অত্যন্ত যৌক্তিক ও প্রয়োজনীয়। তাই আমি বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে বিনয়ের সাথে বলবো, আগামী বাজেটে অর্থাৎ ২০১৯/২০ অর্থ বছরের বাজেটেই সকল বেসরকারী শিক্ষক- কর্মচারীদের চাকরী সরকারীকরণ উপযোগী বাজেট বরাদ্দ রেখে এ দেশকে বিশ্বের রোল মডেল দেশে পরিণত করবেন এবং সেই সাথে এ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বিরাজমান সকল বৈষম্য নিরসনে আপনার বলিষ্ঠ পদক্ষেপের মাধ্যমে শিক্ষক সমাজের সকল বঞ্ছনা দূর করতে সক্ষম হবেন। জয় বাংলা ★★★★★ জয় বঙ্গবন্ধু। মোহাম্মদ মোকাররম হোসেন (আপন)। সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি(নজরুল), চট্টগ্রাম বিভাগ।

Read More »

শুভ জন্মদিন”রনি স্যার”

আজ ১৭- ই মে-২০১৯ খ্রি: শুভ জন্মদিন জনাব নজরুল ইসলাম রনি স্যার,সভাপতি, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ও মুখপাত্র লিয়াঁজো ফোরাম। যিনি আপোষহীন নেতৃত্বের মাধ্যমে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দাবি দাওয়া নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন অবিরাম গতিতে। এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের আদর্শ, প্রাণের স্পন্দন,গতিশীল আন্দোলনের রুপকার জনাব নজরুল ইসলাম রনি স্যার। তিনি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দাবি আদায়ে সর্বদা সচেষ্ট ও নির্ভীক প্রতিবাদ কন্ঠস্বর একজন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক। যিনি সাড়ে পাঁচ লক্ষ শিক্ষক-কর্মচারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন । তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টাই গোটা শিক্ষক সমাজকে আজ জাতীয়করণের স্বপ্ন দেখার সাহস যুগিয়েছে। তাই আমরা আশা করি দাবি আদায়ে তার সুযোগ্য নেতৃত্ব এবংসময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে চিরদিন গোটা শিক্ষক সমাজের হৃদয়ের মনিকোঠায় অধিষ্ঠিত হবেন। আল্লাহ স্যারের ব্যক্তিগত জীবনে ও কর্মজীবনে,সুখ, সমৃদ্ধ ও শান্তিময় করে দিন।স্যারের কর্ম ও কীর্তি স্যারকে আরো হাজার বছর আয়ু দান করুক সেই প্রত্যাশায় রইলো।

Read More »

৪% কর্তনের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ!

অতিরিক্ত ৪% কর্তন বন্ধ করতে উচ্চ আদালতে যাচ্ছে এম পি ও ভুক্ত শিক্ষকগণ ৪% কর্তনের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের পক্ষে আ্যডভোকেট বিপ্লব কান্তি দাসের আইনি নোটিশঃ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টে বাড়তি সুবিধা না দিয়ে মাসিক বেতন থেকে অতিরিক্ত ৪% কর্তনে দেশব্যাপী তীব্র প্রতিবাদ সত্ত্বেও কর্তন বাস্তবায়ন করায় উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হতে যাচ্ছেন বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীরা। হাইকোর্টে রীটের প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে গত কাল১৫/০৫/২০১৯ তারিখ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট দেব দুলাল বড়ালের মাধ্যমে সময়ের সাহসী নেতা বিপ্লব কান্তি দাস সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। প্রেরিত আইনিলল নোটিশে ১। সিনিয়র সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২। মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ৩। সদস্য সচিব, অবসর সুবিধা বোর্ড ৪। সদস্য সচিব, কল্যাণ ট্রাস্ট ৫। উপসচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এর নিকট জানতে চাওয়া হয়েছে যে,অবসর কল্যাণ ট্রাস্টে ৬% চাঁদায় নীতিমালা অনুযায়ী যে সুবিধা, অতিরিক্ত ৪% কর্তনে একই সুবিধা কেন বেআইনি ঘোষণা হবে না। আগামী দশ দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। অন্যথায় আইনের আশ্রয়ে যাবেন ক্ষতিগ্রস্ত সংক্ষুব্ধ বেসরকারি শিক্ষকগণ।

Read More »

মুক্তি যুদ্ধের চেতনায় জাগতে হবে বেশিকদের!

মুক্তি যুদ্ধের চেতনায় জাগতে হবে বেশিকদের! হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতীর জনক বঙ্গ বন্ধু শেখ মুজিবের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে জেগে ওঠার সময় এসেছে বেসরকারী শিক্ষক কর্মচারীদের।বঙ্গবন্ধুর দীক্ষা ছিলো অধিকার আদায়ের দীক্ষা। নিজের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার দীক্ষা। আমরা বীর বাঙালী,আমাদের আর একবার জাগতে হবে এ দেশের সকল শিক্ষা ব্যবস্থার সকল বৈষম্য রুখে দিতে এদেশের ধ্বনি দরিদ্রের বৈষম্য দূর করার সময় এসেছে। আর ধৈর্য্য ধরার সময় নাই। এবার ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙেছে।আর কত অবহেলিত থাকবে এ দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠি? স্বাধীনতার ৪৮ বছর পেরিয়ে আজও কেনো আমরা পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ থাকবো।তা হতে পারেনা, হতে দেওয়া যায় না। শিক্ষা কি শুধু ধ্বনিক শ্রেণির জন্য? নাকি এ দেশের আপামর জন সাধারনের জন্য?যদি সকল নাগরিকের সমান অধিকার হয়, তাহলে সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শুধু মাত্র ধ্বনিক শ্রেণির সন্তানদের সুযোগ দেওয়া হলো কেনো?এ দেশের সকল সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শহর কেন্দ্রিক যেখানে বসবাস করেন সমাজের উচু শ্রেণির লোকজন। পক্ষান্তরে গ্রামে বাস করে নিম্ন শ্রেণির তথা নিম্ন আয়ের লোকজন। যেখানে আজও গড়ে ওঠেনি কোনো সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় বা কলেজ।তাহলে কি আমরা এটাই বুঝবো উচ্চ শিক্ষা শুধু উচ্চ শ্রেণির সন্তানদের জন্য? আর নিম্ন আয়ের সন্তানদের জন্য শুধুই প্রাথমিক শিক্ষা? স্বাধীন বাংলায় কি করে তা হতে দেওয়া যায়? জাতি হিসেবে তো আমাদের ও একটা দায়বদ্ধতা আছে। ধ্বনি দরিদ্র সবার জন্য সমান ভাবে শিক্ষা ব্যবস্থার সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়ার। সেই দায়বদ্ধতা থেকে আসুন আমরা সবাই আর একবার ৭১ এর চেতনায় জেগে উঠি।এ দেশের সকল বৈষম্য দূর করতে নিজেদেরকে তৈরী করি।এ বৈষম্য শুধু শিক্ষকদের নয়। এ বৈষম্য সমগ্রহ জাতির, এ বৈষম্য ধ্বনি -দরিদ্রের, এ বৈষম্য শ্রমিক -মালিকের, এ বৈষম্য পেশা জীবি- আমলাদের।এই বৈষম্য দূর করতে সবার আগে প্রয়োজন সকল শিক্ষা ব্যবস্থা সরকারী করা। তাই আসুন আমরা বঙ্গবন্ধুর সেই ৭ ই মার্চের ভাষনের শ্লোগানকে সমানে রেখে বলি! আমাদের এবারের সংগ্রাম, বেশিক মু্ক্তির সংগ্রাম।আমাদের এবারের সংগ্রাম সকল বৈষম্য রুখে দোওয়ার সংগ্রাম।আমাদের এবারের সংগ্রাম অধিকারের সংগ্রাম।এবারের সংগ্রাম কর্তন রুখে দেওয়ার সংগ্রাম।এবারের সংগ্রাম অবসর কল্যান বোর্ডের বিলুপ্তির সংগ্রাম। এবাররের সংগ্রাম শিক্ষা জাতীয়করণের সংগ্রাম। তাই আসুন প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানে এক একটি দূর্গ গড়ে তুলি,সংগ্রামে যখন নেমেছি তখন সংগ্রাম চালিয়ে যাবো, তবুও জাতীয়করণ আদায় করেই ছাড়বো ইনশাল্লাহ। জয় বাংলা ★★★★★ জয় বঙ্গবন্ধু। লেখক............ মোহাম্মদ মোকাররম হোসেন (আপন)। সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি(নজরুল), চট্টগ্রাম বিভাগ।ও

Read More »

পীযুষ বন্দোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করার দাবি

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ দাড়ি রাখা, টাখনুর ওপর কাপড় পড়া ‘জঙ্গি লক্ষণ’ বলে সম্প্রীতি বাংলাদেশ নামক সংগঠনের আহ্বায়ক পীযুষ বন্দোপাধ্যায়ের প্রচার করা বিজ্ঞাপনে ক্ষোভ প্রকাশ করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। গতকাল এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ইসলামের আবশ্যক পালনীয় দাড়ি রাখা, টাখনুর ওপর কাপড় পড়াসহ বেশ কিছু লক্ষণকে …

Read More »